Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তরুণীকে হেনস্তা, হাওড়ার জেলাশাসকের দপ্তরের কর্মী গ্রেপ্তার

গোবরডাঙা স্টেশনের কিছুটা দূরে এক মেকআপ আর্টিস্টকে হেনস্তার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। গোটা ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেটিজেনরা।

তরুণীকে হেনস্তা, হাওড়ার জেলাশাসকের দপ্তরের কর্মী গ্রেপ্তার
  • ৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০৩

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: গোবরডাঙা স্টেশনের কিছুটা দূরে এক মেকআপ আর্টিস্টকে হেনস্তার অভিযোগে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল। গোটা ঘটনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নেটিজেনরা। পুলিশ ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত অরূপ বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁর বাড়ি গোবরডাঙার সরকারপাড়া এলাকায়। তিনি হাওড়া জেলাশাসকের দপ্তরে কর্মরত। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বনগাঁর বাসিন্দা এক তরুণী রবিবার বিকালে কাজের সূত্রে গোবরডাঙা স্টেশনে আসেন। সেখান থেকে ভ্যানে করে গন্তব্যে রওনা দেন। ওই ভ্যানেই সহযাত্রী ছিলেন অরূপ বিশ্বাস। অভিযোগ, যাত্রাপথে তরুণীকে হেনস্তা করেন তিনি। তরুণী প্রতিবাদ করলে তিনি অশ্লীল গালিগালাজ ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তরুণীর চিৎকারে আশপাশের বাসিন্দারা এসে অভিযুক্তকে ঘিরে ধরেন। তাঁরাই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, সেই সময় উপস্থিত জনতার সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অরূপ। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার ভিডিও নির্যাতিতা মোবাইলে রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন। মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিও ঘিরে নেটমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া। কেউ লিখেছেন, যেমন কর্ম, তেমন ফল। অনেকে লিখছেন, ওর আরও শিক্ষা হওয়া দরকার। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। পরিস্থিতির আঁচ পেয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় অরূপ বিশ্বাস। তবে শেষরক্ষা হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় বসিরহাট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এদিকে, সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠতেই প্রশাসনিক মহলে চাপা গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সরকারি পদে থেকে এ ধরনের আচরণ কতটা শোভনীয়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, হেনস্তা, শ্লীলতাহানির চেষ্টা সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে নির্যাতিতা জানিয়েছেন, পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করায় স্বস্তি মিলেছে। তিনি জেলাশাসকের অফিসের কর্মী। তাঁর এই ধরনের ব্যবহার ভাবা যায় না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ