নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নারীর ক্ষমতায়ন এবং আধুনিক পশ্চিমবঙ্গ রূপায়ণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বুধবার তাঁকে সাম্মানিক ডিলিট দিল জাপানের ওকায়ামা বিশ্ববিদ্যালয়। আলিপুরের ধনধান্য স্টেডিয়ামে তাঁর হাতে শংসাপত্র তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ইয়াসুতোমো নাসু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপের সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর সত্যম রায়চৌধুরীও। এছাড়া মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, শিক্ষাসচিব বিনোদ কুমার, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা এবং কলকাতা, যাদবপুর ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, জাপানে গিয়েই এই সম্মান নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে, তিনি যেতে পারবেন না জানানোয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে এখানে এসেই তা দিতে চেয়েছেন। এই সম্মান প্রদর্শনে তিনি আর অনুরোধ উপেক্ষা করতে পারেননি। তিনি জাপানের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সুসম্পর্ক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রাসবিহারী বসু, সুভাষচন্দ্র বসুর যোগসূত্রের প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। নিন্দুকদের জন্য এও ইঙ্গিত দেন, শিক্ষা-সংস্কৃতির সঙ্গে রাজনীতিকে মেলানো ঠিক হবে না। এর সঙ্গে বাংলা বা ভারতের জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কও জড়িয়ে রয়েছে।



