ওয়াশিংটন: হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশি পড়ুয়াদের ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, সরকার দেওয়া শর্ত না মানলে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে বিদেশি পড়ুয়াদের ভর্তি নেওয়া যাবে না। এমনকী, বর্তমানে যে বিদেশি পড়ুয়ারা রয়েছেন, তাঁদেরও দ্রুত অন্যত্র ভর্তি হতে হবে। এরফলে স্বাভাবিকভাবেই আটান্তরে পড়েছেন বিদেশি পড়ুয়ারা। তাঁদের দলে রয়েছেন বেলজিয়ামের রাজকুমারী এলিজাবেথও। বর্তমানে হার্ভার্ডে পাবলিক পলিসি নিয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনা করছেন ইউরোপের এই দেশের ভবিষ্যত রানি। এর আগে অক্সফোর্ড থেকেই ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। হোয়াইট হাউসের পদক্ষেপে প্রশ্নের মুখে তাঁর ভবিষ্যতও। এখানে পড়াশোনা কি নির্বিঘ্নে শেষ করতে পারবেন রাজা ফিলিপের জ্যেষ্ঠা কন্যা? এবিষয়ে রাজপ্রাসাদের এক মুখপাত্র বলেন, ‘স্নাতকোত্তরে এলিজাবেথের প্রথম বর্ষের পড়াশোনা শেষ হয়েছে। এবার মার্কিন প্রশাসনের ঘোষণার কোনও প্রভাব তাঁর পড়াশোনায় পড়বে কি না তা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জানা যাবে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।’ রাজপ্রাসাদের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর জেভিয়ার বেয়ার্টের কথায়, ‘আগামী কয়েকদিনের মধ্যে অনেক কিছু ঘটতে পারে।’ গত শুক্রবার ট্রাম্প সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, এর জেরে বাইরে থেকে আসা হাজার হাজার পড়ুয়ার ভবিষ্যত নষ্ট হয়ে যাবে। আপাতত মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের উপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। তাতে অবশ্য চিন্তা কাটছে না। বাকি পড়ুয়াদের মতো হার্ভার্ডে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন রাজকুমারী এলিজাবেথও।



