মুম্বই: জালিয়াতি রুখতে বিভিন্ন সময়ে ব্যাঙ্কগুলির জন্য নির্দেশিকা জারি করে আরবিআই। প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পদক্ষেপের অশ্বাস দিয়ে থাকে ব্যাঙ্কগুলিও। জালিয়াতি রুখতে এখন তারা নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে। তবে সবই কি খাতায় কলমে? এই প্রশ্ন তুলে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের একটি রিপোর্ট। যেখানে বলা হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর— এই ছ’মাসে গত বছরের তুলনায় দেশে আট গুণ বেড়েছে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ঘটনা। বিভিন্ন ব্যাঙ্কে নথিভুক্ত হয়েছে মোট ২১ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকার জালিয়াতির অভিযোগ। যা দেশের সামগ্রিক ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সুনামে বড় আঘাত বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
Advertisement
এদিকে, ক্রেডিট কার্ডে বকেয়ার উপরে ব্যাঙ্কগুলি চাইলে ৩০ শতাংশের বেশি হারে সুদ নিতে পারে। সম্প্রতি এমনই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ক্রেডিট কার্ডে বকেয়ায় ৩০ শতাংশের বেশি হারে সুদ চাপানোকে ‘অনৈতিক ব্যবসা’ বলে রায় দিয়েছিল জাতীয় উপভোক্তা অভিযোগ নিষ্পত্তি কমিশন। ১৬ বছর পুরনো সেই রায় খারিজ করে দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।
বৃহস্পতিবার ‘ভারতে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার প্রবণতা ও উন্নতি ২০২৩-২৪’ শীর্ষক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তাতে জানানো হয়েছে, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের প্রথম ছ’মাসে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে মোট ১৪ হাজার ৪৮০টি জালিয়াতির অভিযোগ এসেছে। অর্থমূল্যে যা দাঁড়ায় ২ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা। কিন্তু ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের প্রথম ছ’মাসে এমন অভিযোগ এসেছে ১৮ হাজার ৪৬১টি। জালিয়াতদের পকেটে গিয়েছে মোট ২১ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা।
ভারতে দিন দিন আরও জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইন ব্যাঙ্কিং। বাড়ছে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার। আর এখানেই বাড়ছে বিপদ। গত এক দশকের মধ্যে সবথেকে কম টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি হয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে। এর মধ্যে ৮৫.৩ শতাংশ অভিযোগ ছিল অনলাইন ব্যাঙ্কিং ও কার্ড সংক্রান্ত। ঘটনাচক্রে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে এমন অভিযোগের হার বেশি।
বৃহস্পতিবার ‘ভারতে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার প্রবণতা ও উন্নতি ২০২৩-২৪’ শীর্ষক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তাতে জানানো হয়েছে, ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের প্রথম ছ’মাসে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে মোট ১৪ হাজার ৪৮০টি জালিয়াতির অভিযোগ এসেছে। অর্থমূল্যে যা দাঁড়ায় ২ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা। কিন্তু ২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের প্রথম ছ’মাসে এমন অভিযোগ এসেছে ১৮ হাজার ৪৬১টি। জালিয়াতদের পকেটে গিয়েছে মোট ২১ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা।
ভারতে দিন দিন আরও জনপ্রিয় হচ্ছে অনলাইন ব্যাঙ্কিং। বাড়ছে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার। আর এখানেই বাড়ছে বিপদ। গত এক দশকের মধ্যে সবথেকে কম টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতি হয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে। এর মধ্যে ৮৫.৩ শতাংশ অভিযোগ ছিল অনলাইন ব্যাঙ্কিং ও কার্ড সংক্রান্ত। ঘটনাচক্রে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে এমন অভিযোগের হার বেশি।



