


ওয়াশিংটন: বিগত প্রায় একমাস ধরে উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় বিধ্বস্ত ইরান। পালটা প্রত্যাঘাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ইজরায়েল ও আরব দুনিয়ার। চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে আমেরিকাও। যুদ্ধের জন্য প্রথম থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করেছেন অনেকে। এবার সেই সুরেই সুর মেলালেন প্রাক্তন সিআইএ প্রধান তথা আমেরিকার প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব লিও পানেত্তা।
তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতির জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতিই দায়ী। আমেরিকা এখন এমন এক জটিল অবস্থায় আটকে পড়েছে, যেখান থেকে বেরিয়ে আসার কোনো পথ নেই। তাঁর মতে, ট্রাম্প প্রশাসন শুরু থেকেই ইরানকে মোকাবিলার ক্ষেত্রে ভুল কৌশল নিয়েছিল। তার অভিযোগ, মিত্র দেশগুলির সঙ্গে পর্যাপ্ত সমন্বয় করা হয়নি। পাশাপাশি, ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে। পানেত্তা আরও বলেন, বর্তমানে ট্রাম্পের সামনে দু’টি পথ খোলা—এক যুদ্ধ আরও তীব্র করে সামরিক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সাফল্য অর্জনের চেষ্টা। নাহলে সংঘাত থামিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিকেই ‘জয়’ হিসাবে তুলে ধরা। তবে এমনটা করলে আরও কটাক্ষের শিকার হবেন ট্রাম্প।
পানেত্তার দাবি, এই যুদ্ধে জড়িয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে আমেরিকা নিজের অবস্থান দুর্বল করেছে। একইসঙ্গে হরমুজে অস্থিরতা বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে তাতে আমেরিকার অবস্থা আরও শোচনীয় হয়েছে। পানেত্তার বক্তব্যে স্পষ্ট, বর্তমান পরিস্থিতি একাধিক নীতিগত ভুলের ফল। এখন আমেরিকার সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল এই সংঘাত থেকে সরে আসা।