


কোরাপুট: ভুল ইঞ্জেকশনের বলি পাঁচ রোগী। ওড়িশার কোরাপুটে শহিদ লক্ষ্মণ নায়ক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এই ঘটনা ঘিরে শোরগোল তুঙ্গে। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বেশ কয়েকজন রোগীকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নির্দিষ্ট ওই ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। তাঁদের সকলেরই অস্ত্রোপচার হয়েছিল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর রাত ১১টা নাগাদ আইসিইউতেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তারপর সাধারণ বেডে থাকা দুই রোগীও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। সকলের পরিবারের তরফেই অভিযোগ, হাসপাতালের এক কর্মীই দ্বিতীয় রাউন্ড ইঞ্জেকশন দিয়েছেন। তারপরই রোগীদের মৃত্যু হয়েছে। ভুল ইঞ্জেকশন দেওয়ার ফলেই এহেন ঘটনা ঘটেছে। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসার পরই মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
অন্যদিকে হাসপাতালের সুপার সুশান্ত কুমার সাহু বলেন, ‘রোগীরা সঙ্কটজনক অবস্থায় থাকার সময় আমরা বেশ কয়েকটি ইঞ্জেকশন দিই। হতে পারে, সেই সময় ওই ইঞ্জেকশন কোনও কাজে আসেনি।’ তবে কী ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তরে চিকিৎসক সাহু বলেন, ‘অস্ত্রোপচারের পর রক্তচাপ খুব বেশি নেমে গেলে ওই ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। পাঁচ রোগীকেও সেই ইঞ্জেকশনই দেওয়া হয়েছিল।’ একইসঙ্গে সুপার এও বলেন, যদি এই ঘটনায় কারও গাফিলতি সামনে আসে তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। যদি কোনওভাবে মেয়াদ উত্তীর্ণ ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে ঘটনার সময় কর্তব্যরত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিসও পৃথকভাবে তদন্ত শুরু করেছে।