


ইসলামাবাদ: বন্দি অবস্থাতেই ইমরান খানকে খুন করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল এমনই বার্তা। তারপর থেকে পাকিস্তানে উত্তেজনা ক্রমবর্ধমান। আদিয়ালা জেল কর্তৃপক্ষের তরফে প্রাক্তন ক্রিকেটারের জীবিত থাকার খবর জানানো হলেও প্রশ্ন তুলেছে তাঁর সমর্থক ও পরিবার। বাবার ‘মৃত্যু’ জল্পনার মাঝেই বৃহস্পতিবার সরব হলেন কনিষ্ঠ পুত্র কাশিম খান। পাক সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে কাশিমের বক্তব্য, প্রায় দেড় মাস ধরে ইমরান খানকে বিচ্ছিন্নভাবে একটি ডেথ সেলে রেখে দেওয়া হয়েছে। তাঁকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দিচ্ছে না পাক প্রশাসন। এক্ষেত্রে কোনও অঘটন ঘটলে সম্পূর্ণভাবে দায়ী থাকবে পাকিস্তানের সরকার। কাশিমের আবেদন, এনিয়ে যেন দ্রুত পদক্ষেপ করে মানবাধিকার সংগঠনগুলি। উল্লেখ্য, দাদার সঙ্গে দেখা করতে না পেরে শুক্রবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বোন আলিমা খান।
কোথায় আছেন ইমরান? জেলে কীভাবে রয়েছেন? একের পর এক প্রশ্ন তুলে ইতিমধ্যেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ইমরানের দল পিটিআইয়ের সমর্থকরা। চিন্তায় পরিবারও। এরইমাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কাশিম খান জানান, ‘৮৪৫ দিন অতিক্রান্ত। বাবাকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। গত ছয় সপ্তাহ ধরে বিচ্ছিন্নভাবে তাঁকে একটি ডেথ সেলে আটকে রাখা হয়েছে। আদালত অনুমতি দেওয়ার পরও তাঁর বোনেদের দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি ফোন করা যাচ্ছে না। বাবা কেমন আছে, সেই খবরও জানা যায়নি।’ এরপরই হুঁশিয়ারির সুরে ইমরান পুত্রের বক্তব্য- একটা কথা স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই, বাবার কিছু হলে তার জন্য দায়ী থাকবে পাকিস্তানের সরকার ও তার শীর্ষ কর্তারা।