


পাটনা: ‘নিজেদের ভুল ঢাকতে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা চলছে।’ দু’টি এপিক নম্বর সংক্রান্ত ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে এমনই জবাব দিলেন তেজস্বী যাদব। বিহারের প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী জানান, নোটিসের যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। আরজেডি নেতার কথায়, ‘নির্বাচন কমিশন নয়। আমাকে নোটিস পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন। উত্তরে যোগ্য জবাব তৈরি করা হচ্ছে। সেটা পেলে কেউ কথা বলতে পারবে না। নিজেদের ভুল ঢাকতে আমায় দোষী বানানোর চেষ্টা চালাচ্ছে কমিশন। আমার নামে দু’টি এপিক নম্বর থাকলে সেটা কার দোষ? আমি একটি জায়গা থেকেই ভোট দিয়ে আসছি সবসময়।’
স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের প্রথম পর্বের পর সম্প্রতি বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। সংশ্লিষ্ট তালিকায় ৬৫ লক্ষরে বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরেই তেজস্বী দাবি করেন, বিহারের ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম মুছে ফেলা হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা জানান, তাঁর এপিক নম্বর আরএবি২৯১৬১২০। লালুপুত্রের যাবতীয় দাবি খারিজ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। তারা জানায় লালু-পুত্রের এপিক নম্বর আরএবি০৪৫৬২২৮। ২০৪ নম্বর বুথের ক্রমিক নম্বর ৪১৬-এ আরজেডি নেতার নাম রয়েছে। তবে তেজস্বী যে এপিক নম্বরের উল্লেখ করেছেন তার কোনও অস্তিত্বই নাকি নেই। একইসঙ্গে লালুপুত্র যেই ভোটার কার্ড প্রকাশ্যে এনেছিলেন সেটাও দেখতে চায় কমিশন।