নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নামের গেরোয় হোঁচট খাওয়া ভোটারদের সুবিধার্থে এবারে নয়া পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। ইভিএম-এ প্রার্থীর নামের পাশাপাশি থাকবে রঙিন ছবি। যাতে ভোটাররা ছবি দেখলেই চিনতে পারেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নামের গেরোয় হোঁচট খাওয়া ভোটারদের সুবিধার্থে এবারে নয়া পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। ইভিএম-এ প্রার্থীর নামের পাশাপাশি থাকবে রঙিন ছবি। যাতে ভোটাররা ছবি দেখলেই চিনতে পারেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে।
অনেক প্রার্থীকে তাঁদের ভালো নামের চেয়ে ডাক নামে বেশি মানুষ চেনেন। এমনকি দেওয়াল লিখনে প্রাধান্য দেওয়া হয় বাড়ির নাম। ছোটো করে পাশে লেখা থাকে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর ভালো নাম। অনেক সময় এই নামের গোলকধাঁধায় গ্রামগঞ্জের বা প্রত্যন্ত এলাকায় ভোটাররা বিভ্রান্ত হন। বিভ্রান্তি এখানেই নয়, একই নামের একাধিক প্রার্থী থাকেন। অনেক রাজনৈতিক দল ভোট কাটতে সমনামের ব্যক্তিকে দাঁড় করান। ফলে বহু ভোটার বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। সেই গোলকধাঁধা কাটছে। কারণ এবার ইভিএমে প্রার্থীদের রঙিন ছবি থাকবে। তাই কেউ ডাকনামে দেওয়াল লিখন ও প্রচার সারলেও, প্রার্থীর মুখ চেনা থাকলেই ভোটাররা চিনতে ভুল করবেন না।
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছিলেন মুনমুন সেন। গোটা বাংলা তাঁকে এই নামে চেনে। কিন্তু দেওয়াল লিখনে অভিনেত্রীর আসল নাম শ্রীমতি দেব বর্মন লেখা হয়েছিল। নীচে অবশ্য ছোটো করে মুনমুন সেন ছিল। কিন্তু প্রার্থীর আসল নাম দেখে অনেকে বিভ্রান্ত হয়েছিলেন।। পরে অবশ্য প্রচারে গিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে নামতে হয়েছিল তৃণমূল নেতাকর্মীদের। একইভাবে আসন্ন নির্বাচনেও অনেক প্রার্থী রয়েছেন, যাঁদের ডাকনাম প্রচলিত এবং সেটা দেওয়ালে প্রাধান্য পেয়েছে। যেমন সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক অরুন্ধতী মৈত্র। তিনি লাভলি মৈত্র নামেই বেশি পরিচিত। দেওয়াল লিখনে অনেক জায়গায় এই নাম বড়ো বড়ো অক্ষরে লেখা হচ্ছে। নীচে ছোটো করে আসল নামটি থাকছে। মানুষ এই নাম দেখে বিভ্রান্ত হবেন না তো? প্রশ্নের উত্তরে লাভলি বলেন, এবার কোনো অসুবিধা হবে না। লাভলি নাম লেখা হলেও পাশে আমার আসল নাম লেখা হচ্ছে। তাছাড়া এবার যেহেতু প্রত্যেক প্রার্থীর নামের পাশে থাকবে রঙিন ছবি ফলে যাঁরা নাম জানেও না, মুখটা চিনতে পারবেন। একই রকম ভাবে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু, বাদুড়িয়ার বুরহানুল মোকাদ্দিম ওরফে লিটন, দেগঙ্গার আনিসুর রহমান ওরফে বিদেশ, বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রের সুরজিৎ মিত্র ওরফে বাদলদের ডাক নামেই পরিচিত।