


নয়াদিল্লি: আম আদমি পার্টি ছেড়ে সাংসদ রাঘব চাড্ডা ক্রমশ বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। দিল্লির রাজনৈতিক মহলে এই জল্পনা ক্রমশ জোরদার হচ্ছে। আগেই রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দিয়েছে আপ। আর বুধবার তাঁর ‘জেড প্লাস’ নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নিল পাঞ্জাবের আপ সরকার। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে ‘জেড’ ক্যাটিগরির নিরাপত্তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কেন্দ্র জানিয়েছে, দিল্লি ও পাঞ্জাবে ‘জেড’ স্তরের নিরাপত্তার পাশাপাশি সারা দেশে ‘ওয়াই’ শ্রেণির নিরাপত্তা পাবেন রাঘব। রাজনৈতিক মহলের মতে, যে তৎপরতায় রাঘবকে জেড নিরাপত্তা মঞ্জুর করা হল, তাতে তাঁর ঝাড়ু ছেড়ে পদ্ম শিবিরে যাওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা। বুধবার সকালেই ৩৭ বছর বয়স্ক রাঘবের নিরাপত্তা প্রত্যাহার সংক্রান্ত নোটিস সামনে আসে। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকদের স্থানীয় সদর দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নির্দেশ জারি করেছে পাঞ্জাব সরকার।
কাকতালীয় হলেও এদিনই আপের রাজ্যসভার সাংসদ অশোক মিত্তলের অফিসে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। রাঘব চাড্ডাকে সরানোর পর তাঁকেই রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। এদিন অশোক এবং তাঁর ছেলের জলন্ধর এবং ফাগুয়ারার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলিতে তল্লাশি শুরু করে ইডি। এছাড়া অন্যত্রও তদন্ত চালানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তাঁদের বিরুদ্ধে বিদেশি মুদ্রা বিনিময় আইন (ফেমা) লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। ইডির তল্লাশি নিয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহার করছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। আর আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের প্রতিক্রিয়া, ‘পাঞ্জাবের রাজনীতিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করতে কেন্দ্র। রাজ্যের মানুষ এর জবাব দেবে।’ উল্লেখ্য, ৬১ বছরের অশোক মিত্তল একজন সফল শিল্পপতি, শিক্ষাবিদ এবং লাভলি গ্রুপের প্রধান। তাঁর নামে রয়েছে একটি বিশ্ববিদ্যালয়।