ওয়াশিংটন: অকাতরে বিদেশি সাহায্যে রাশ টানতে চলেছে আমেরিকা। এবার দেশগুলিকে দেয় মার্কিন অর্থের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা হবে। সহায়তা পাওয়া দেশগুলি কতটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপকারে আসছে, তা খতিয়ে দেখেই মিলবে সাহায্য। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেই একগুচ্ছ এগজিকিউটিভ অর্ডারে সই করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানেই এইভাবে আর্থিক সহায়তায় রাশ টানা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশে সমস্যায় পড়তে চলেছে ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশের মতো দেশগুলি। রবিবারই সামনে এসেছে ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত নির্দেশ নামা। তাতে বলা হয়েছে, আপাতত অন্য দেশগুলিকে মার্কিন সহায়তা বন্ধ করা হচ্ছে। ৯০ দিন পরে কোন দেশগুলিকে কতটা সহয়তা করা হবে, তা জানাবে ট্রাম্প প্রশাসন। নির্বাচনী প্রচারে ‘মাগা’র (মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন) প্রচার করেছিলেন ট্রাম্প। ক্ষমতায় ফিরে ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিদেশি সাহায্যে রাশ, এই নীতিরই অঙ্গ বলে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এদিকে সূত্রের খবর, সোমবার ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয়বার জয়ের জন্য ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানান তিনি।
Advertisement
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানাবিধ আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে উন্নত দেশগুলি। তবে সবচেয়ে বেশি অর্থ দেয় আমেরিকাই। ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) মাধ্যমে এই অর্থ খরচ করে ওয়াশিংটন। ২০২৩ সালে ১৫৮টি দেশে মোট ৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার খরচ করেছিল ইউএসএআইডি। এর অনেকটাই পেয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ। ইউএসএআইডি-এর তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর ভারতকে ১৭ কোটি ৫০ লক্ষ ডলার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। আর আফগানিস্তান ১০০ কোটি, বাংলাদেশ ৪০ কোটি, পাকিস্তান ২৩ কোটি ১০ লক্ষ, শ্রীলঙ্কা ১২ কোটি ৩০ লক্ষ এবং নেপাল ১১ কোটি ৮০ লক্ষ ডলার মার্কিন সহায়তা পেয়েছিল।
রবিবার মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র টামি ব্রুশ বলেন, ‘আমেরিকার মানুষের স্বার্থ না দেখে অকাতরে মার্কিন অর্থ ছড়ানো বন্ধ করা হবে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন। কঠোর পরিশ্রমী করদাতাদের অর্থ সঠিক খাতে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা দেখা শুধু কর্তব্যই নয়, প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব।’ তিনি আরও বলেন, যাচাইয়ের কাজের জন্য ইউএসএআইডির সমস্ত আর্থিক সহায়তা সাময়িক বন্ধ রাখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আর্থিক সহায়তা পাওয়া দেশগুলিকে দক্ষ করা এবং আমেরিকার স্বার্থ বিবেচনা করতে সম্পূর্ণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হবে।
রবিবার মার্কিন বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র টামি ব্রুশ বলেন, ‘আমেরিকার মানুষের স্বার্থ না দেখে অকাতরে মার্কিন অর্থ ছড়ানো বন্ধ করা হবে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন। কঠোর পরিশ্রমী করদাতাদের অর্থ সঠিক খাতে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, তা দেখা শুধু কর্তব্যই নয়, প্রশাসনের নৈতিক দায়িত্ব।’ তিনি আরও বলেন, যাচাইয়ের কাজের জন্য ইউএসএআইডির সমস্ত আর্থিক সহায়তা সাময়িক বন্ধ রাখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আর্থিক সহায়তা পাওয়া দেশগুলিকে দক্ষ করা এবং আমেরিকার স্বার্থ বিবেচনা করতে সম্পূর্ণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হবে।



