


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কেন ঘটল আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা, শীঘ্রই তার রিপোর্ট সরকারকে জমা দেবে এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো। মার্কিন সংস্থা ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি’র সঙ্গে যৌথভাবে আমেদাবাদের মর্মস্পর্শী বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত প্রায় শেষ। ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার এবং ককপিট ভয়েস রেকর্ডারের মতো দুটি ব্ল্যাকবক্স পরীক্ষানিরীক্ষা করে দুঘর্টনার কারণ অন্বেষণ করা হয়েছে। তারই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আমেরিকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করলেও ব্ল্যাকবক্সের রহস্য উদ্ধার করেছেন ভারতীয়রাই। মঙ্গলবার সংসদীয় কমিটি পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিষেবা মন্ত্রকের আধিকারিকরা। বৈঠকে এয়ার ইন্ডিয়া প্রত্যয়ের সঙ্গে জানিয়েছে, দুর্ঘটনা দুঃখজনক। তবে ড্রিমলাইনার বিশ্বের নিরাপদ বিমানগুলির মধ্যে অন্যতম। মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। গত ১২ জুন আমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ‘এআই ১৭১’ আকাশে ওড়ার কয়েক মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে। মারা যান ২৪১ জন।
এদিন কে সি বেণুগোপালের নেতৃত্বাধীন পিএসির বৈঠকে বচসা বেধে যায়। বিশেষ সূত্রে খবর, বৈঠকে অসামরিক বিমান পরিষেবা মন্ত্রক দাবি করে, উৎসবের সময় ভাড়া আচমকা বেড়ে যাওয়ার কোনও রিপোর্ট তাদের কাছে নেই। যা শুনেই সরব হন বিজেপির অন্ধ্রপ্রদেশের সাংসদ সি এম রমেশ। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে বলেন, বলছেন কী? আমি নিজে ভুক্তভোগী। মহাকুম্ভে গিয়েছি১৫ হাজার টাকার টিকিট ৪০ হাজারে কেটে। আর আপনারা বলছেন উৎসবের সময় ভাড়া বাড়ে না? তাজ্জব!
প্রশ্নের মুখে পড়ে থতমত খেয়ে যান সরকারি আধিকারিকরা। তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে, এখন ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা সরকারের হাতে নেই। তবে যখন অস্বভাবিক বেড়ে যায়, তখন সরকারের তরফে হস্তক্ষেপ করা হয়। যেমন, পহেলগাঁওয়ের ঘটনা কিংবা মহাকুম্ভ।