Bartaman Logo
১৫ জুন, ২০২৬

নির্বাচন কমিশন কি বাঙালিদের বিশ্বাসই করে না? প্রশ্ন তুললেন ফারুক আবদুল্লা

সাঁজোয়া গাড়ি। আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সব বুথে ওয়েব কাস্টিং। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে যেন এক রাজসূয় যজ্ঞ চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বদলি হয়েছেন একের পর এক আধিকারিক।

নির্বাচন কমিশন কি বাঙালিদের বিশ্বাসই করে না? প্রশ্ন তুললেন ফারুক আবদুল্লা
  • ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: সাঁজোয়া গাড়ি। আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সব বুথে ওয়েব কাস্টিং। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে যেন এক রাজসূয় যজ্ঞ চলছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বদলি হয়েছেন একের পর এক আধিকারিক। এহেন অতি তৎপরতা নিয়ে আগেই বিতর্ক শুরু হয়েছিল। এবার বাংলায় দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটের দিন এই ইস্যুতে কমিশনকে কাঠগড়ায় তুললেন কাশ্মীরের বর্ষীয়ান রাজনীতিক, ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লা। যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে নির্বাচন পরিচলনা করা হচ্ছে, তাতে ক্ষুব্ধ তিনি। বুধবার ফারুক প্রশ্ন তুলেছেন, ‘বাঙালিদের কি বিশ্বাসই করে না কমিশন?’ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা যে ভাষায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে আক্রমণ করেছেন, তা নিয়েও ক্ষোভ ঝরে পড়েছে তাঁর গলায়। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুকের মতে, ‘এই ভাষা শুধু অসংসদীয়ই নয়, অশোভনও।’ 

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। এসআইআর পর্ব শুরুর পর থেকে মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র নামে কেড়ে নেওয়া হয়েছে বহু মানুষের ভোটাধিকার। এই প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণের আগে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন উদ্ধবপন্থী শিবসেনার নেতা আদিত্য থ্যাকারে এবং আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝাও। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতিকে সরাসরি ‘দায়িত্বহীন গণতন্ত্র’ বলে মন্তব্য করেছেন মনোজ। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ি খাওয়া বা প্রতিবেশী রাজ্য সিকিমে ফুটবল খেলা কোনো কাজে আসেনি। পুরানো কৌশল ব্যর্থ হয়েছে। আবেগের রসায়নের কাছে অংকের রাজনীতি জয়ী হতে পারে না। ২০৩১ সালের জন্য আবার তৈরি হোন।’  এসআইআর ঘিরে বঙ্গবাসীর দুর্দশা নিয়ে সরব হয়েছেন উদ্ধব থ্যাকারে-পুত্র আদিত্যও। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘নির্বাচনে জয় নিয়ে প্রলুব্ধ বিরাট এক শক্তির সঙ্গে অসম লড়াই চলছে বঙ্গবাসীর।’ বিজেপির নাম না করে আদিত্য লিখেছেন, একটি নির্দিষ্ট দলকে জেতাতে নির্বাচন কমিশন বন্দুকের নলের সামনে ভোটারদের দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ