


নিউ ইয়র্ক: এপস্টাইন ফাইল ঘিরে তোলপাড় গোটা বিশ্ব। নাম জড়িয়েছে তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনেতা, শিল্পপতি, সেলিব্রিটির। তারই মধ্যে এবার কুখ্যাত এই যৌন অপরাধীর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের জট বাড়ল। জেফ্রি এপস্টাইন কী সত্যিই নিউ ইয়র্কের জেলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছিলেন? নাকি তাঁকে খুন করা হয়েছিল? ধোঁয়াশা বাড়াল এপস্টাইনের ময়নাতদন্তের সময় উপস্থিত এক চিকিৎসকের দাবি।
নারী পাচার ও যৌন অপরাধের অভিযোগে বিচার চলাকালীন ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে নিউ ইয়র্কে জেলের মধ্যেই এপস্টাইনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই সময় চিফ মেডিকেল এগজামিনারের নিউ ইয়র্ক সিটি অফিস থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে সন্দেহ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল সেই সময়ও। এবার রহস্য বাড়ালেন চিকিৎসক মাইকেল ব্যাডেন। ময়নাতদন্তের সময় এপস্টাইনের পরিবারের তরফে পর্যবেক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে ব্যাডেন বলেছেন, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার ফলে যেমন দাগ হয়, আঘাতের ওই চিহ্নগুলি পুরোপুরি সেরকম নয়। শ্বাসরোধ করে খুন করলে যেমন হয়, এপস্টাইনের শরীরে মেলা ক্ষতচিহ্নের সঙ্গে তার মিল ছিল বেশি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে আরও তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে। এপস্টাইনের ময়নাতদন্ত মাইকেল ব্যাডেন নিজে না করলেও পর্যবেক্ষক হিসেবে সেই সময় উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার কথাই তুলে ধরেছেন এই চিকিৎসক। তাঁর বক্তব্য, ময়নাতদন্তের সময় মেডিকেল এগজামিনার ও আমি গোটা বিষয়ে আরও তথ্যের প্রয়োজন বলে সহমত হয়েছিলাম। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এপস্টাইন পরিবারের আইনি টিমও প্রায় একই সুরে কথা বলেছিল। তাদের দাবি ছিল, মেডিকেল এগজামিনারের অফিস থেকে মৃত্যুর যে কারণ বলা হচ্ছে, তাতে আমরা সন্তুষ্ট নই।