নয়াদিল্লি: ১০০ দিনের কাজ বা মনরেগায় দৈনিক মজুরির পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলল সংসদীয় কমিটি। জানিয়েছে, এখন মজুরি হিসেবে যে টাকা দেওয়া হয় তাতে সংসার চলে না। যে কারণে মজুরি বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়েছে। সইেসঙ্গে মজুরি নির্ধারণে মানদণ্ড হিসেবে মুদ্রাস্ফীতিকে যুক্ত করার পক্ষেও সওয়াল করেছে কমিটি। সেক্ষেত্রে জিনিসপত্রের দাম বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে কর্মীদের মজুরি।
Advertisement
কংগ্রেস সাংসদ সপ্তগিরি সংকর উলাকার নেতৃত্বাধীন গ্রামন্নোয়ন সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘গ্রাম-শহর নির্বিশেষে জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া। জীবনযাপনের খরচও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতেও অনেক রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে দৈনিক মজুরি ২০০ টাকার আশপাশে। অথচ এর কোনও যুক্তি নেই। কিছু রাজ্যে অবশ্য মজুরি অনেকটা বেশি।’ একশো দিনের কাজে মজুরি বৃদ্ধি নিয়ে সরকারের তরফে ‘গতানুগতিক জবাব’ দেওয়া হয়েছে বলেও কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়ছে।
১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে দৈনিক মজুরি বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন। যা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। রিপোর্টে সাফ জানানো হয়েছে, একই কাজের জন্য বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন মজুরি হতে পারে না। এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। যে কারণে দেশজুড়ে অবিলম্বে অভিন্ন মজুরি চালুর সুপারিশও করেছে উলাকার নেতৃত্বাধীন কমিটি।
এছাড়া মনরেগার আওতায় কাজের সংখ্যা বছরে ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১৫০ দিন করার সুপারিশও করেছে সংসদীয় কমিটি।
১০০ দিনের কাজ প্রকল্পে দৈনিক মজুরি বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন। যা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। রিপোর্টে সাফ জানানো হয়েছে, একই কাজের জন্য বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন মজুরি হতে পারে না। এটি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। যে কারণে দেশজুড়ে অবিলম্বে অভিন্ন মজুরি চালুর সুপারিশও করেছে উলাকার নেতৃত্বাধীন কমিটি।
এছাড়া মনরেগার আওতায় কাজের সংখ্যা বছরে ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে অন্তত ১৫০ দিন করার সুপারিশও করেছে সংসদীয় কমিটি।



