Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সডের রেজাল্টেও অপ্রতিরোধ্য দেবদত্তা, দেশে মেয়েদের মধ্যে প্রথম বঙ্গতনয়া

জয়েন্ট এন্ট্রান্সে (মেনস) সর্বভারতীয় ভাবে সাফল্য পাওয়ার পর আবার দেশের সামনে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন বঙ্গতনয়া। জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সডের রেজাল্টেও র‌্যাঙ্ক করলেন কাটোয়ার দেবদত্তা মাজি।

জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সডের রেজাল্টেও অপ্রতিরোধ্য দেবদত্তা, দেশে মেয়েদের মধ্যে প্রথম বঙ্গতনয়া
  • ২ জুন, ২০২৫ ১৩:০৬

কাটোয়া, সংবাদদাতা: জয়েন্ট এন্ট্রান্সে (মেনস) সর্বভারতীয় ভাবে সাফল্য পাওয়ার পর আবার দেশের সামনে বাংলার মুখ উজ্জ্বল করলেন বঙ্গতনয়া। জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সডের রেজাল্টেও র‌্যাঙ্ক করলেন কাটোয়ার দেবদত্তা মাজি। এই পরীক্ষায় তাঁর সর্বভারতীয় র‌্যাঙ্ক ১৬। আইআইটি খড়্গপুর জোনের টপার তিনি।  এছাড়াও, দেশের মধ্যে মেয়েদের মধ্যে প্রথম দেবদত্তাই।

Advertisement

উল্লেখ্য বিষয় হল, কয়েকদিন আগেই জয়েন্ট এন্ট্রান্স  (মেনস) এর দ্বিতীয় সেশনের পরীক্ষায় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে রাজ্যে যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছিলেন কাটোয়ার দেবদত্তা মাজি। সর্বভারতীয় স্তরের এই পরীক্ষায়  ২৪ জন পরীক্ষার্থী এন টি এ (ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি) স্কোর ১০০ পার্সেন্টাইল পেয়েছেন।  তাঁদের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছিলেন দেবদত্তা। তারও আগে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকেও দুর্দান্ত ফল করেছিলেন দেবদত্তা। মাধ্যমিকে ৬৯৭ নম্বর পেয়ে রাজ্যে প্রথম স্থান দখল করেছিলেন তিনি। উচ্চমাধ্যমিকে ৪৯২ নম্বর পেয়ে রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছিলেন দেবদত্তা। ফলে ভালো রেজাল্ট ও তাঁর নাম যেন জুড়ে গিয়েছে একসঙ্গে।

প্রসঙ্গত, কাটোয়ার ঘুটকিয়া পাড়ার একটি আবাসনে থাকেন দেবদত্তা মাজি। তাঁর মা শেলি দাঁ  কাটোয়ার দুর্গাদাসী চৌধুরাণী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা৷ আর বাবা জয়ন্ত কুমার মাঝি আসানসোল বিবি কলেজের প্রফেসর। পরিবার সূত্রে খবর, সারাদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা পড়াশুনা করে এমন সাফল্য পেয়েছেন দেবদত্তা। পড়াশুনার পাশাপাশি বেহালা বাজিয়ে সুর তোলাও তাঁর নেশা। এছাড়াও অবসর সময়ে ডিটেকটিভ গল্পের বই পড়া অভ্যাস রয়েছে তাঁর। আপাতত দেবদত্তার লক্ষ্য ব্যাঙ্গালুরু আইআইটি-তে পড়াশোনা করা। জয়েন্ট এন্ট্রান্স অ্যাডভান্সডের রেজাল্ট যে তাঁকে সেই সুযোগ করে দিল, তা বলাই বাহুল্য।

সম্পর্কিত সংবাদ