


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও বারাকপুর: দু’টি পৃথক ঘটনায় আক্রান্ত হলেন দুই জনপ্রতিনিধি। প্রথম ঘটনাটি আমডাঙার। পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ‘আক্রান্ত’ হলেন তৃণমূলের উপপ্রধান। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে আমডাঙার পদ্মলাভপুরে। মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইএসএফ। দু’পক্ষই আমডাঙা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পদ্মলাভপুরের বাসিন্দা পিন্টু নামে এক ব্যক্তির কাছে টাকা পান আমডাঙার তারাবেড়িয়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ওমর আলি। পিন্টুর সঙ্গে অংশীদারী ব্যবসা রয়েছে উপপ্রধানের। এদিন গভীর রাতে পাওনা টাকা চাইতে উপপ্রধান যান পিন্টুর বাড়ি। পাওনা টাকা নিয়ে শুরু হয় বচসা। তখনই এলাকায় আসেন স্থানীয় আইএসএফ কর্মী ফারুক হোসেন। অভিযোগ, উপপ্রধানের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে তাঁকে মারধর করেন ফারুক। পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। উপপ্রধান ওমর আলি বলেন, পাওনা টাকা নিতে এসেছিলাম। তখন আইএসএফ কর্মী ফারুক আমাকে মারধর করে। আমি আইন হাতে তুলে নিইনি। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। এদিকে আইএসএফ কর্মী ফারুক হোসেন বলেন, উপপ্রধানকে মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন। উনি মদ্যপ অবস্থায় রাতে পাওনা টাকা চাইতে এসে পিন্টুর বাড়ির দরজায় ধাক্কাধাক্কি করছিলেন। আর তা দেখে বাইরে আসি। তখনই আমাকে মারধর করেন উপপ্রধান।
এদিকে, নর্দমা পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত হলেন শ্যামনগর কাউগাছি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য সুনীত মল্লিক। স্থানীয় বাসিন্দারা আক্রমণকারী যুবকের উপর চড়াও হলে পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আপাতত পুলিশের হাতে আটক আক্রমণকারী যুবক ও তাঁর বাবা।
শুক্রবার সকালে সুনীত এলাকায় নর্দমা তৈরির কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়েছিলেন। তখন উজ্জ্বল ঘোষ নামে এক বাসিন্দার সঙ্গে তাঁর প্রথমে বচসা হয়। পরে তা গড়ায় হাতাহাতিতে। অভিযোগ, এর মধ্যেই উজ্জ্বল ঘোষের ছেলে রাহুল বাবার সঙ্গে মিলে পঞ্চায়েত সদস্য সুনীতের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এমনকী তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে ছুটে আসেন এলাকাবাসী। তাঁরাই সুনীতকে উদ্ধার করে ভাটপাড়া রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে নিয়ে যান। তদন্ত শুরু করেছে বাসুদেবপুর থানার পুলিশ।