Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

চড়া দাম, বেকারি পণ্যে জিএসটি কমানোর দাবি

কিছু খাদ্যপণ্যকে জিএসটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। বহু পণ্য আছে, যেখানে জিএসটির হার ১২ শতাংশ। অথচ বেকারি শিল্পের আওতায় যেসব পণ্য রয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষকে জিএসটি দিতে হয় ১৮ শতাংশ হারে।

চড়া দাম, বেকারি পণ্যে জিএসটি কমানোর দাবি
  • ৪ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কিছু খাদ্যপণ্যকে জিএসটির আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। বহু পণ্য আছে, যেখানে জিএসটির হার ১২ শতাংশ। অথচ বেকারি শিল্পের আওতায় যেসব পণ্য রয়েছে, তাতে সাধারণ মানুষকে জিএসটি দিতে হয় ১৮ শতাংশ হারে। তাই এবার দাবি উঠল, বিস্কুট, পাউরুটি বা সমগোত্রীয় খাবারের দামের বোঝা লাঘবে জিএসটির হার কমানো হোক। রবিবার ওয়েস্ট বেঙ্গল বেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সম্মেলনে তাদের অন্যতম কর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এমনিতেই এই শিল্পের ক্ষুদ্র শিল্পের তকমা থাকলেও বাড়তি কোনও সুবিধা পায় না। দেশের প্রায় ৮৫ শতাংশ বেকারি শিল্প অসংগঠিত। সেখানে পেশাদারিত্ব, আধুনিকীকরণ এবং দক্ষতার অভাব রয়েছে। তার উপর কেন্দ্রীয় করের বোঝা এবং লাইসেন্স ব্যবস্থা যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। ট্রেড লাইসেন্স, ফুড লাইসেন্স, এগ্রি প্রোডাক্ট লাইসেন্সের মতো ১৯টি লাইসেন্স বা করের বোঝা বইতে হয় আমাদের। বড় শিল্প সংস্থাগুলি যে ভার বহন করে, বেকারি শিল্পকেও তা বহন করতে হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যেমন এই প্রশাসনিক জটিলতার নিরসন চাইছি, একই সঙ্গে জিএসটির সুরাহাও দাবি করছি। তার কারণ, কেন্দ্রীয় সরকার বড় এবং বহুজাতিক সংস্থাগুলিকে যথেচ্ছ কাঁচামাল মজুতের লাইসেন্স দিয়েছে। বেকারি শিল্পের কাঁচামালের দাম নিয়ন্ত্রিত হয় তাদের মাধ্যমেই। সেই দামের বোঝা বইতে হয় ছোট সংস্থাকেও। এদিকে চড়া হারে জিএসটি আরও দাম বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাই আমরা চাই, সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জিএসটির বোঝা কমাক এবং বড় সংস্থাগুলিকে বাড়তি সুবিধা দেওয়া বন্ধ করুক।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ