Bartaman Logo
১১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কমিশনের খসড়া তালিকায় ‘মৃত’! র‍‍্যাম্পে হাঁটলেন তিন ভোটার

নির্বাচন কমিশনের তরফে এসআইআর প্রক্রিয়ায় খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর। তাতে দেখা যায়, এমন একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন, যাঁরা দিব্য বেঁচেবর্তে থাকলেও নির্বাচন কমিশনের খাতায় তাঁরা ‘মৃত’!

কমিশনের খসড়া তালিকায় ‘মৃত’! র‍‍্যাম্পে হাঁটলেন তিন ভোটার
  • ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নির্বাচন কমিশনের তরফে এসআইআর প্রক্রিয়ায় খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে ১৬ ডিসেম্বর। তাতে দেখা যায়, এমন একাধিক ব্যক্তি রয়েছেন, যাঁরা দিব্য বেঁচেবর্তে থাকলেও নির্বাচন কমিশনের খাতায় তাঁরা ‘মৃত’! এরকম তিনজন ভোটারকে বিশেষ ভূমিকায় দেখা গেল তৃণমূলের রাজনৈতিক সভায়। তাঁরা তৃণমূল সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে র‌্যাম্পে হাঁটলেন। 

Advertisement

শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে তৃণমূলের ‘আবার জিতবে বাংলা’ শীর্ষক কর্মসূচি। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গোটা জানুয়ারি মাসজুড়ে এই কর্মসূচি করবে তৃণমূল। এদিন বারুইপুরে অভিষেকের সভা থেকে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করা হয়। এই প্রেক্ষাপটে চমক দেখাল তৃণমূল! রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তথ্য নিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক দেখেছেন, বাস্তবে জীবিত কিন্তু কমিশনের খাতায় মৃত ভোটারের সংখ্যা একশোর বেশি। তাঁদের মধ্যে থেকে তিনজনকে এদিন অভিষেক হাজির করান সভায়। তিনজনই দক্ষিণ ২৪ পরগনার। এই জেলায় কমিশনের খাতায় মৃত, অথচ বাস্তবে জীবিত ভোটারের সংখ্যা ২৪। তাঁদের মধ্যে একজন মেটিয়াবুরুজের বাসিন্দা মণিরুল মোল্লা। আরেক জন মেটিয়াবুরুজেরই বাসিন্দা মায়া দাস। আর তৃতীয় জন কাকদ্বীপের বাসিন্দা হরেকৃষ্ণ গিরি। এই তিনজন এদিন অভিষেকের সঙ্গে র‌্যাম্পে হাঁটেন।
 ২০২৪ সালের ১০ মার্চ লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার সময় ব্রিগেডে এই ধরনের র‌্যাম্প তৈরি করেছিল তৃণমূল। সেরকমই একটি র‍্যাম্প করা হয়েছিল এদিন। অভিষেক বলেন, ‘এই র‍্যাম্প দিয়ে আজ আমি এই  তিনজন ভূতকে হাঁটাব। জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই সব জ্যান্ত মানুষকে মৃত বলে ঘোষণা করেছে। মানুষের ভোট দেওয়া থেকে আটকাতেই এঁদের মৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’
সম্প্রতি ব্রিগেড ময়দানে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ’-এর আয়োজন করেছিল গেরুয়া শিবির। সেখানে এক চিকেন প্যাটিস বিক্রেতার উপর যে নির্মম অত্যাচার হয়েছিল, তা নিয়ে অনেকেই সরব হয়েছেন। সেই প্রসঙ্গ তুলে অভিষেক এদিন বলেন, ‘যারা গীতা পাঠের আসরে চিকেন প্যাটিস বিক্রি করার জন্য গরিব মানুষকে পেটায়, তাদের কাছ থেকে বাংলার মানুষকে হিন্দুত্ব শিখতে হবে না।’ নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ