নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাজ্যে সরকারে ৩০ বছর ক্ষমতার বাইরে। ছাবলিদাস মেহতা ছিলেন শেষ কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী। তবু সেই গুজরাত থেকেই ঘুরে দাঁড় করাতে চান কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। আগামী কাল ৮ এপ্রিল থেকে দু’দিন ব্যাপী এআইসিসি অধিবেশন বসছে গুজরাতের আমেদাবাদে। ৬৪ বছর পর ফের গুজরাতে হতে চলেছে এআইসিসি অধিবেশন। অধিবেশনের অঙ্গীকার হল, ‘ন্যায়পথ, সংকল্প, সমর্পণ এবং সংঘর্ষ।’ প্রথমদিন অধিবেশন বসবে সর্দার প্যাটেল মেমোরিয়ালে। পরের দিন সবরমতী নদীর তটে। সবরমতী আশ্রম আর কোচরাব আশ্রমের মাঝে।
৬৪ বছর পর ফের গুজরাতে অধিবেশন যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা মনে করিয়ে দিতে রবিবার কংগ্রেসের ইতিহাস সামনে এনেছেন দলের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ। ১৮৮৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর প্রথম গুজরাতের আমেদাবাদে এআইসিসি অধিবেশন বসেছিল ১৯০২ সালে। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে। পরের বারও আর এক বাঙালি রাসবিহারী ঘোষের সভাপতিত্বে ১৯০৭ সালে। সুরাতে। গুজরাতেরই হরিপুরায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সভাপতিত্বে ১৯৩৮ সালে বসেছিল অধিবেশন। আওয়াজ উঠেছিল, পূর্ণ স্বরাজের। সেই হিসেবে এই নিয়ে ষষ্ঠবার গুজরাতে অধিবেশন বসতে চলেছে। ১৯২১ সালে হাকিম আজমল খাঁর সভাপতিত্বে আমেদাবাদে বসেছিল অধিবেশন। ‘৬১ তে নীলম সঞ্জীব রেড্ডি পরিচালনা করেছিলেন অধিবেশন। গুজরাতের ভাবনগরে। ইতিহাস বলছে, ভাবনগরে বসা অধিবেশনে ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য সাতটি পদে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল। যেখানে ইন্দিরা গান্ধী পেয়েছিলেন সবচেয়ে বেশি ভোট।