Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

বারামতির উপনির্বাচনে সুনেত্রার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিচ্ছে কংগ্রেস, কটাক্ষ শিবসেনার, মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটে ফাটল?

প্রয়াত অজিত পাওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বারামতির আসন্ন উপ নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি (শারদ) এবং শিবসেনা (ইউবিটি)। তবে মহা বিকাশ আঘাড়ি (এমভিএ) জোটের অন্যতম শরিক দল কংগ্রেস এই পথে হাঁটেনি।

বারামতির উপনির্বাচনে সুনেত্রার বিরুদ্ধে প্রার্থী দিচ্ছে কংগ্রেস, কটাক্ষ শিবসেনার, মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটে ফাটল?
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: প্রয়াত অজিত পাওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বারামতির আসন্ন উপ নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি (শারদ) এবং শিবসেনা (ইউবিটি)। তবে মহা বিকাশ আঘাড়ি (এমভিএ) জোটের অন্যতম শরিক দল কংগ্রেস এই পথে হাঁটেনি। ওই কেন্দ্রে সুনেত্রা পাওয়ারের বিরুদ্ধে আইনজীবী অকাশ বিশ্বনাথ মোরের নাম অনুমোদন করেছে কংগ্রেস। বিষয়টাকে কেন্দ্র করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। 

Advertisement

বিমান দুর্ঘটনায় অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর পর মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন তাঁর স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার। তাঁর সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ, বারামতির উপ-নির্বাচনে এনডিএ জোটের প্রার্থী তিনি। বারামতি দীর্ঘদিন ধরেই পাওয়ার পরিবারের শক্ত ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত। সেক্ষেত্রে নির্বাচনে তাঁরই পাল্লাভারি। তার উপর অজিত পাওয়ারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উদ্ধব থ্যাকারের নেতৃত্বাধীন শিবসেনা (ইউবিটি) এবং শরদ পাওয়ার নেতৃত্বাধীন এনসিপি (এসপি) এই আসনে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  কিন্তু কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তে সম্মত না হওয়ায় নতুন বিতর্ক জন্ম নিয়েছে। শিবসেনা (ইউবিটির) মুখপত্র ‘সামনা’-য় কংগ্রেসের এহেন পদক্ষেপকে ‘রাজনৈতিক অপরিণত-বোধ’ ও ‘সংকীর্ণ মানসিকতা’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি মহাযুতি জোটের নেতারাও কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে ‘বহিরাগত’ মানসিকতার পরিচয় বলে তুলে ধরছেন। তাঁদের কটাক্ষ এঁরা স্থানীয় নেতৃত্বকে সম্মান করে না। যদিও কংগ্রেসের বক্তব্য, সুনেত্রা পাওয়ার এনডিএ জোটের-র প্রার্থী। তাই তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হতে দেওয়া যায় না। কবি আকবর আলাহাবাদীর বিখ্যাত পংক্তি উদ্ধৃত করে কংগ্রেস নেতা সচিন সাওয়ান্ত বলেন, ‘হাম আহ করে তো হো যাতে হ্যায় বদনাম, উয়ো কতল ভি করতে হ্যায় তো চর্চা নেহি হোতা’ যার মর্মার্থ, ‘আমরা দীর্ঘশ্বাস ফেললেও বদনাম হই, আর ওরা খুন করলেও আলোচনা হয় না।’ আসন্ন উপ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিতর্ক আগামীতে জোটের অন্দরে ফাটল ধরাবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ