


নয়াদিল্লি: ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বিহারের এসআইআর ইস্যুতে বিরোধী শিবিরের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদে উত্তাল সংসদ। তারই মধ্যে এবার মহারাষ্ট্র ভোট নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও বিশ্লেষণ প্রকাশের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রকের অধীনস্থ ‘দি ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ’ (আইসিএসএসআর)-এর রোষের মুখে সমাজবিদ্যা সংক্রান্ত গবেষণাকারী সংস্থা ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব ডেভেলপিং সায়েন্সেস’ (সিএসডিএস)। এই ইস্যুতে সিএসডিএসকে শোকজ নোটিস পাঠাল আইসিএসএসআর।
সামাজিক বিষয় নিয়ে গবেষণার জন্য আইসিএসএসআর-এর থেকে আর্থিক অনুদান পায় সিএসডিএস। শোকজ নোটিসে আইসিএসএসআর বলেছে, ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে মহারাষ্ট্র ভোটের বিশ্লেষণ করেছেন সিএসডিএস-এর গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা এক আধিকারিক। শুধু তাই নয়, নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়েও একপেশে বিশ্লেষণের ভিত্তিতে মিডিয়া রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ওই প্রতিষ্ঠানটি। আইসিএসএসআর মনে করে, ভারতীয় সংবিধানের মর্যাদা সবার উপরে। আর নির্বাচন কমিশন হল এমন একটি সাংবিধানিক সংস্থা, যারা দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালিত করে আসছে। সিএসডিএস-এর পদক্ষেপে নির্বাচন কমিশনের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
ঘটনাচক্রে, লোকনীতি-সিএসডিএসের সহ-অধিকর্তা সঞ্জয় কুমার ইতিমধ্যেই ওই বিভ্রান্তি নিয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘মহারাষ্ট্র নির্বাচন নিয়ে আমার ট্যুইটের জন্য আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। মহারাষ্ট্রে ২০২৪ সালের লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের তুলনামূলক তথ্য বিশ্লেষণে ভুল হয়েছে আমাদের ডেটা টিমের। তাই ওই ট্যুইট সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কোনওরকম ভুল তথ্যের প্রচার আমার উদ্দেশ্য ছিল না।’ তবে এই ক্ষমাপ্রার্থনা সত্ত্বেও সিএসডিএসকে শোকজ করল আইসিএসএসআর।