Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ভারতের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালে চরম ক্ষতি হবে পাক অর্থনীতির

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জেরে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের উত্তেজনার পারদ ক্রমেই চড়ছে। কাশ্মীরের ওই হামলার ঘাতকদের সঙ্গে পাক যোগের বিষয়টি উঠে আসার পর কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নয়াদিল্লি।

ভারতের সঙ্গে সংঘাতে জড়ালে চরম ক্ষতি হবে পাক অর্থনীতির
  • ৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার জেরে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের উত্তেজনার পারদ ক্রমেই চড়ছে। কাশ্মীরের ওই হামলার ঘাতকদের সঙ্গে পাক যোগের বিষয়টি উঠে আসার পর কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে নয়াদিল্লি। এই সঙ্ঘাতের প্রভাব ভারতের চেয়ে অনেক বেশি আঘাত হানবে পাকিস্তানের অর্থনীতিতে। সোমবার এমনটাই জানিয়েছে মুডি’স রেটিংস। এমনিতেই পাকিস্তানের আর্থিক পরিস্থিতি বেহাল। এই অবস্থায় ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হলে সেই আর্থিক চাপ পাকিস্তানের পক্ষে সামলানো সম্ভব নয় বলেই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে ওই রিপোর্টে। 

Advertisement

ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে চলতি টানাপোড়েন ও পাকিস্তানের আর্থিক বৃদ্ধিতে এর প্রভাব সংক্রান্ত রিপোর্টে বিস্তারিত মূল্যায়ন করেছে মুডিস। রিপোর্টে বলা  হয়েছে, চলতি উত্তেজনার আঁচ ভারতের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কার্যত কোনও প্রভাবই ফেলবে না।  কারণ পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের আর্থিক সম্পর্ক যৎসামান্য। কিন্তু ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে উত্তেজনা বজায় থাকলে তা পাকিস্তানের আর্থিক বৃদ্ধির গতি ব্যাহত করবে। সেইসঙ্গে ধাক্কা খাবে পাক সরকারের আর্থিক ঘাটতি ও ঋণের পরিমাণ হ্রাস এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের প্রচেষ্টা। 
গত কয়েক বছর ধরেই টালামাটাল দশা পাক অর্থনীতির। সেই অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছে সেদেশের সরকার। আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডার (আইএমএফ)-এর  আর্থিক সাহায্যের জেরে  সেই অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কিন্তু ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উত্তেজনা দীর্ঘদিন জিইয়ে থাকলে পাকিস্তানের বাইরের থেকে আর্থিক সহায়তা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ে চাপ বাড়াবে। কারণ, এই তহবিল এখনও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। ফলে বিদেশি ঋণ শোধ করা আরও কঠিন হবে পাকিস্তানের। অন্যদিকে, এই উত্তেজনার প্রভাব ভারতের অর্থনীতিতে তেমন কোনও প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছে মুডিস। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সংঘাতে ভারতের আর্থিক পরিস্থিতি স্থিতিশীলই থাকবে। কারণ, ভারতে বৃদ্ধির হার কিছুটা কমলেও তা উচ্চ হারেই রয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ