


নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: কাঞ্চনজঙ্ঘা শিখর জয়ের লক্ষ্যে রওনা হয়ে গেলেন চন্দননগরের পিয়ালি বসাক। সোমবার বিকেলে রক্সৌল এক্সপ্রেস ধরে তিনি নেপালের উদ্দেশে যাত্রা করেন। চন্দননগর স্টেশনে বেশকিছু শুভানুধ্যায়ী, বন্ধুরা পিয়ালিকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছিলেন। কথা ছিল, ৭ এপ্রিল অভিযানে যাবেনই। শেষপর্যন্ত গেলেনও পিয়ালি। অভিযাত্রী মহলে এই জেদের জন্য সুপরিচিত চন্দননগরের কাঁটাপুকুরের পর্বতকন্যা। পরিকল্পনা ছিল চিন ও তিব্বতের শিশাপাঙমা এবং চো ইয়ু শিখরে চড়বেন। কিন্তু স্থানীয় এলাকায় নিষেধাজ্ঞার জেরে সেই পরিকল্পনা নিয়ে ডামাডোল তৈরি হয়। অনেক চেষ্টা করেও অভিযানের অনুমোদন মেলেনি। কিন্তু তাতে থেমে থাকেনি পাহাড়কন্যার কাছে পর্বতের ডাক। তাই পূর্বনির্ধারিত দিনেই কাঞ্চনজঙ্ঘার শিখরে পা রাখতে বেরিয়ে পড়লেন পিয়ালি। সোমবার চন্দননগরের প্রাথমিক স্কুলের দিদিমণি পিয়ালির গলা শোনাচ্ছিল আরও জেদি। স্টেশনে দাঁড়িয়ে বলছিলেন, কাঞ্চনজঙ্ঘাতে সাফল্য পেতেই হবে। অনেক মানুষের প্রত্যাশার পাহাড় পিঠে নিয়ে চলতে হচ্ছে। তাই তুষার ঝড়ই আসুক আর কঠিন পরিস্থিতি, পর্বত শিখরে পা রাখা ছাড়া আর কিছু ভাবছি না। বিকেলের পরে যখন রক্সৌল এক্সপ্রেস চন্দননগর স্টেশন ছেড়ে চলে গেল তখন ট্রেনের চাকার যান্ত্রিক ঘড়ঘড় আওয়াজ মিলিয়ে গেল। কিন্তু রয়ে গেল এক ঋজু তরুণীর কঠিন উচ্চারণের অনুরণন। ফাইল চিত্র