Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

জোর কর্মসংস্থানে, খসড়া শ্রম নীতি প্রকাশ কেন্দ্রের

সামাজিক সুরক্ষা পরিষেবায় ভারসাম্য রক্ষা করাই অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। মূলত তা মাথায় রেখেই বুধবার খসড়া ‘শ্রম শক্তি নীতি, ২০২৫’ প্রকাশ করল শ্রমমন্ত্রক। আগামী ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত এই ব্যাপারে নিজের মতামত জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জোর কর্মসংস্থানে, খসড়া শ্রম নীতি প্রকাশ কেন্দ্রের
  • ৯ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সামাজিক সুরক্ষা পরিষেবায় ভারসাম্য রক্ষা করাই অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। মূলত তা মাথায় রেখেই বুধবার খসড়া ‘শ্রম শক্তি নীতি, ২০২৫’ প্রকাশ করল শ্রমমন্ত্রক। আগামী ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত এই ব্যাপারে নিজের মতামত জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। এদিন সরকারি বিবৃতিতে তেমনই জানানো হয়েছে শ্রমমন্ত্রকের পক্ষ থেকে। শ্রমমন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে এ বিষয়ে বিলও নিয়ে আসতে পারে মোদি সরকার। 

Advertisement

প্রধানত ২০৪৭ সালের বিকশিত ভারত কর্মসূচির কথা মাথায় রেখেই খসড়া ‘শ্রম শক্তি নীতি, ২০২৫’ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এক্ষেত্রে ২০৪৭ সালের মধ্যে যেমন সমাজের সর্বস্তরের শ্রমিক-কর্মচারীর কাছে সামাজিক সুরক্ষা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তেমনই জোর দেওয়া হয়েছে কর্মসংস্থানের উপরও। কর্মসংস্থান ইস্যুতে মহিলা কর্মীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির ব্যাপারেও জোর দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট খসড়া নীতিতে। দাবি করা হয়েছে, কয়েক কোটি কাজের সুযোগ তৈরিরও। খসড়া নীতিতে এমনও দাবিও করা হয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে কাজ করতে করতে দুর্ঘটনার কারণে মৃত্যুর সংখ্যা কার্যত শূন্যে নামিয়ে নিয়ে আসা হবে। অর্থাৎ, নিয়ার-জিরো ওয়ার্কপ্লেস ফ্যাটালিটিসের উপর জোর দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। 
বলা হয়েছে, পুরো পরিকল্পনাকে তিনটি পর্যায়ে পরিণত করা হবে। ২০২৫ থেকে ২০২৭ সালকে ধরা হয়েছে ‘ইমিডিয়েট ফেজ’। দ্বিতীয় পর্যায় ‘মিডিয়াম টার্ম ফেজে’ রাখা হয়েছে ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালকে। ২০৩০ সালের পরবর্তী সময়কালকে চূড়ান্ত পর্যায় হিসেবে ‘লং টার্ম ফেজ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

সম্পর্কিত সংবাদ