আগ্রা: অভিযুক্ত ভাই। কিন্তু গ্রেপ্তার হতে হয়েছিল দাদাকে। নেপথ্যে নাম বিভ্রাট! ভুল পুলিসেরই। তবে তা প্রমাণ করতে সময় লাগল ১৭ বছর। ঘটনা উত্তরপ্রদেশের মইনপুরী গ্রামের।
আগ্রা: অভিযুক্ত ভাই। কিন্তু গ্রেপ্তার হতে হয়েছিল দাদাকে। নেপথ্যে নাম বিভ্রাট! ভুল পুলিসেরই। তবে তা প্রমাণ করতে সময় লাগল ১৭ বছর। ঘটনা উত্তরপ্রদেশের মইনপুরী গ্রামের।
২০০৮ সালে নির্বাচনী অশান্তির ঘটনায় এলাকার চার যুবকের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ দায়ের হয়। তালিকায় ছিল রামবীর যাদবের নাম। কিন্তু তদন্তের দায়িত্বে থাকা অফিসার ভুল করে রামবীরের নাম লেখেন রাজবীর। তিনি আসলে রামবীরের দাদা। নাম মিলিয়ে তাঁকেই গ্রেপ্তার করে পুলিস। বারবার বলা সত্বেও আসল সত্যি শুনতে চায়নি কেউ। এমনই অভিযোগ রাজবীরের। নির্দোষ হয়েও ২২ দিন জেলে কাটাতে হয় তাঁকে। এরপর আদালতে তদন্তকারী অফিসার ভুলের কথা স্বীকার করেন। বিচারকের নির্দেশে জেলমুক্তি হয় রাজবীরের। কিন্তু এতেও নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেননি তিনি। কারণ বিচারকের নির্দেশ সত্ত্বেও চার্জশিটে রাজবীরের নামই রেখে দেন অন্য এক অফিসার। আদালতে মামলা চলতে থাকে। প্রতিবার শুনানিতে নাম বিভ্রাটের কথা বলতে থাকেন রাজবীর। কিন্তু আইনের চোখে সেকথা প্রমাণ হতে কেটে যায় ১৭ বছর। অবশেষে গত শনিবার রাজবীরকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ঘোষণা করেছে আদালত। যে পুলিসের ভুলে এমন হেনস্তা, তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। কিন্তু এতদিনের আইনি লড়াইয়ে সবকিছু হারিয়েছেন বলে আক্ষেপ রাজবীরের। কোনওক্রমে মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। মাঝপথে পড়াশোনা ছাড়তে হয়েছে ছেলেকে। কথায় বলে, নামে কি আসে যায়! কিন্তু মইনপুরীর রাজবীরের ঘটনা প্রমাণ করে, বাস্তবটা একেবারেই অন্যরকম।