


রায়পুর: নিজের জমিতে আফিম চাষ করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল বিজেপির কৃষক নেতা বিনায়ক তাম্রকরকে। এছাড়াও গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁর দুই সহযোগীকেও। ছত্তিশগড়ের দুর্গ জেলার সামোদা গ্রামে রয়েছে বিজেপির কিষান মোর্চার নেতা বিনায়কের ফার্ম হাউস। শনিবার সেখানে যৌথভাবে অভিযান চালায় ছত্তিশগড় পুলিশ, এনসিবি এবং রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকরা। সেখানে প্রায় পাঁচ একর জমিতে চাষ হওয়া আফিম নষ্ট করেন তাঁরা। ভুট্টার আড়ালে এই আফিম চাষ করা হচ্ছিল বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। বিপুল পরিমাণ আফিম বাজেয়াপ্ত করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া আফিমের বাজার দর প্রায় ৮ কোটি টাকা। ঘটনার কথা জানাজানি হতেই বিনায়ককে সাসপেন্ড করেছে বিজেপি। তবে পুরো ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন বিনায়ক।
পুলিশ জানিয়েছে, বিজেপি নেতা বিনায়কের জমিতে এই বিপুল আফিম চাষ করা হয়েছে। তবে লোকচক্ষুর আড়াল করতে জমির ধারে ভুট্টা চাষ করা হয়েছিল। ছত্তিশগড়ে জমিতে কোন ফসল চাষ হচ্ছে, তা দেখার জন্য রয়েছে ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা। সেই ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা অনুযায়ী সরকারি নথিতে বিনায়কের জমিতে ভুট্টা এবং গম চাষ হয় বলে দেখানো হয়েছিল। এই চাষের জমি দেখভাল করতেন তাঁর দুই সহযোগী— বিকাশ বিষ্ণোই এবং মণীশ ঠাকুর। বিনায়কের পাশাপাশি এঁদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনা সামনে আসতেই ডিজিটাল মনিটরিংয়ের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলের প্রশ্ন, ‘ব্যক্তিগতভাবে এই চাষ করা হচ্ছিল? বিজেপির কিষান মোর্চার নামে এই চাষ হচ্ছিল? নাকি এর সঙ্গে জড়িত রাজ্যের কোনো প্রভাবশালী নেতা?’