Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

সুনেত্রাকে উপমুখ্যমন্ত্রী করতে কলকাঠি নেড়েছে বিজেপি, দাবি শিবসেনার

অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর কয়েক দিনের মধ্যে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হয়েছেন স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার। এর নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি।

সুনেত্রাকে উপমুখ্যমন্ত্রী করতে কলকাঠি নেড়েছে বিজেপি, দাবি শিবসেনার
  • ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: অজিত পাওয়ারের মৃত্যুর কয়েক দিনের মধ্যে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হয়েছেন স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার। এর নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি। শিবসেনার (উদ্ধবপন্থী) মুখপত্র ‘সামনা’র সম্পাদকীয়তে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে।

Advertisement

এনসিপির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দূরত্ব ক্রমশ কমছিল। নতুন বছরের শুরুতে মহারাষ্ট্রের ২৯টি পুরসভার ভোট ছিল। সেখানে কাকা-ভাইপো অর্থাৎ শারদ  ও অজিত একত্রে লড়েছিলেন। নির্বাচনী প্রচারে গিয়েও অজিত বলেছিলেন, ‘আমাদের পরিবার আবার এক হয়ে গিয়েছে।’ এই ঘটনাক্রমই চাপে ফেলেছিল ফড়নবিশের বিজেপিকে। ‘সামনা’র সম্পাদকীয়তে সোমবার লেখা হয়েছে, বিজেপি নেতৃত্ব ও অজিত পাওয়ার গোষ্ঠীর দুই নেতা সুনীল তাৎকারে ও প্রফুল্ল প্যাটেল চাননি এনসিপির বিবাদমান দুই গোষ্ঠী এক জায়গায় আসুক। সেই সম্ভাবনা ঠেকাতেই তড়িঘড়ি সুনেত্রাকে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে। সুনেত্রার শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিজেপিই ‘মাস্টারমাইন্ড’—এমন দাবিও করা হয়েছে সম্পাদকীয়তে। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত কার, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বলা হয়েছে, পাওয়ার পরিবারের কেউই সুনেত্রার শপথগ্রহণ সম্পর্কে জানতেন না।

অজিতের মৃত্যুর পর থেকেই রাজনৈতিক বিতর্ক কিছুতেই থামছে না। শিবসেনা (উদ্ধব) ও কংগ্রেস বিমান দুর্ঘটনা ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছে। আশঙ্কা করা হয়েছে ষড়যন্ত্রেরও। শিবসেনা (উদ্ধব) সাংসদ সঞ্জয় রাউতও এই ঘটনাকে ‘রহস্যজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে শুধু বিরোধী দলে নয়, এনসিপির অন্দরেও প্রশ্ন উঠছে। কিছু একটা গোপন কারণ নিশ্চয়ই রয়েছে।’ সঞ্জয়ের অভিযোগ, ‘বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথির কথা বলেছিলেন অজিত। এনডিএ ছাড়ার সিদ্ধান্তও নিতে পারতেন। এমন আবহেই দুর্ঘটনাটি ঘটল!’

কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, এই ঘটনার নেপথ্যে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। বিষয়টির তদন্ত হোক। যদিও যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। দলের নেতা তথা আইনজীবী উজ্জ্বল নিকম বলেছেন, ‘অজিতের মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা ছাড়া কিছুই নয়। মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে এধরনের রাজনীতি করা অত্যন্ত লজ্জাজনক।’

সম্পর্কিত সংবাদ