


বেঙ্গালুরু: ১০৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী কর্ণাটকের মাইসোর স্যান্ডাল সোপকে ঘিরে চরমে রাজনৈতিক তরজা। কর্ণাটক সোপস অ্যান্ড ডিটারজেন্টস লিমিটেড তথা কেএসডিএলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর করা হয়েছে অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়াকে। খবরটি সামনে আসার পরই আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি সহ রাজ্যের একাধিক কন্নড়পন্থী সংগঠন। তাদের বক্তব্য, কর্ণাটকে বহু বিশিষ্ট অভিনেত্রী থাকা সত্ত্বেও অন্য ভাষার, অন্য রাজ্যের অভিনেত্রীকে সরকারি সাবানের বিজ্ঞাপনী মুখ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এটাই কংগ্রেসের কন্নড় বিরোধী মানসিকতাকে তুলে ধরে। বিতর্কের মুখে পড়ে শেষমেশ সাফাই দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী এমবি পাতিল। তাঁর দাবি, নানা ব্যবসায়িক দিক মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত।
মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রী এমবি পাতিল জানিয়েছেন, স্যান্ডাল সোপের শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যকে সঙ্গী করে এবার ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং, রপ্তানি বৃদ্ধি ও নিত্যনতুন উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক টার্নওভারের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কেএসডিএল। এই নতুন পর্বে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছেন অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। এই যুক্তি মানতে নারাজ গেরুয়া শিবির। বিজেপি সাংসদ কে সুধাকর বলেন, ‘এই ঘটনা কংগ্রেসের কন্নড় বিরোধী মানসিকতার পরিচয় দেয়। ওরা বিশ্বাসঘাতক দল। কর্ণাটকের ভূমিকন্যা হিসেবে রম্যা, রশ্মিকা মান্দানা, শ্রীনিধি শেট্টি, পূজা হেগড়ে সহ বহু বিশিষ্ট অভিনেত্রী রয়েছেন। অথচ ওরা অন্য রাজ্য ও ভাষার এক অভিনেত্রীকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে নিযুক্ত করেছে।’ ৬.২ কোটি টাকার বিনিময়ে কেএসডিলের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছেন তামান্না ভাটিয়া। আগেও এনিয়ে কন্নড়পন্থী নানা সংগঠন, স্থানীয় সমাজকর্মীদের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এবিষয়ে মন্ত্রী এমবি পাতিল জানিয়েছিলেন, মার্কেটিং বিশেষেজ্ঞদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।