নয়াদিল্লি: আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের মুখ পুড়ল পাকিস্তানের। অপারেশন সিন্দুরের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে দেশে দেশে প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে ভারত। এর পাল্টা হিসেবে পাকিস্তানও সংসদীয় প্রতিনিধি দল পাঠিয়েছে। এরকমই একটি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন সেদেশের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী বিলাবল ভুট্টো। মঙ্গলবার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতামত বিনিময় করতে গিয়ে বিলাবল বলে বসেন, পহেলগাঁও হামলার পরে ভারতে মুসলিমদের হেয় করা হচ্ছে। তাঁদের সঙ্গে অপরাধীর মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। এরপরই তাঁকে চেপে ধরেন সেখানে উপস্থিত সাংবাদিক আহমেদ ফতেহি। অপারেশন সিন্দুরের সাফল্য তুলে ধরতে ভারত এগিয়ে দিয়েছিল কর্নেল সোফিয়া কুরেশিকে। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরেন প্রবীণ সাংবাদিক ফতেহি। সে কথা শুনে চুপ হয়ে যান বিলাবল।
ভারতের পাল্টা হিসেবে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি, কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের অবস্থান এবং ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলাকে কীভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে, তাই প্রচার করতে শুরু করেছে পাকিস্তান। আর তা করতে গিয়েই জোর ফেঁসে গেলেন বিলাবল। তিনি বলেন, ভারতে এখন মুসলিম বিদ্বেষ বেড়েছে। আর এই বিদ্বেষকে প্রশ্রয়ও দেওয়া হচ্ছে। তাঁকে থামিয়ে দিয়ে সাংবাদিক আহমেদ ফতেহি বলেন, ‘ঘটনা নিয়ে আমি দুই দেশেরই ব্রিফিং শুনেছি। যতদূর মনে পড়ছে, ভারতের ব্রিফিংয়ের নেতৃত্ব দিয়েছেন একজন মুসলিম মহিলা সেনা আধিকারিক।’ একথা শুনে চুপসে যান বিলাবল। দৃশ্যত মাথা নাড়তে নাড়তে তিনি বলতে বাধ্য হন, ‘অভিযান প্রসঙ্গে আপনি যা বলছেন, তা ঠিক।’ এরপরেই সন্ত্রাসবাদ নিরসনে ভারতের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের কথা বলেন বিলাবল।