নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সুন্দরবন ঘুরতে এলে পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা হল ‘বেকন বাংলো’। স্যার ড্যানিয়েল হ্যামিল্টলনের আমন্ত্রণে ১৯৩২ সালের ৩০ ও ৩১ ডিসেম্বর গোসাবার এই ভবনে ছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর স্মৃতি বিজড়িত এই ঐতিহাসিক ভবনের ব্যবস্থাপনা ঘিরে এখন নানা প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ, সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকারে ডুবে যায় সুন্দরবনের অন্যতম এই পর্যটন কেন্দ্র। চত্বরটি সাজিয়ে তোলা হলেও সেখানে অব্যবস্থার ছড়াছড়ি। ফোয়ারা বসানো হলেও সেটি বন্ধ। এ নিয়ে পর্যটকদের মধ্যে ক্ষোভ আছে।
সন্ধ্যার পর এমনিতেই এই কেন্দ্রে পর্যটকদের প্রবেশাধিকার নেই। তবু একটি ঐতিহ্যবাহী জায়গায় কেন আলো জ্বলবে না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় বাসিন্দারা। দেখা গিয়েছে, ওখানে বিদ্যুতের খুঁটি বসানো রয়েছে। তাতে আলো রয়েছে। কিন্তু সবই খারাপ। পর্যটন কেন্দ্রটি গোসাবা পঞ্চায়েত সমিতি একটি সংস্থাকে দেখভাল করার দায়িত্ব দিয়েছে। তারপর ব্যবস্থাপনায় খামতি কেন উঠছে এই প্রশ্ন। কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা বলেন, ছ’মাস ধরে আলো খারাপ। সারাই করা হয়নি। অথচ বেকন বাংলোর অদূরেই বিডিও অফিস যাওয়ার রাস্তা। তা আলো ঝলমল করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,
সরকারের উচিত প্রাচীন স্থানটির দিকে আরও নজর দেওয়া। এভাবে অবহেলায় ফেলে রাখা হলে তা নষ্ট হয়ে যাবে। জেলা পরিষদের উপাধ্যক্ষ অনিমেষ মণ্ডল বলেন, ‘বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। অবিলম্বে যাতে আলোর ব্যবস্থা করা হয় তা নিশ্চিত করা হবে।’ নিজস্ব চিত্র