শ্রীনগর: কাশ্মীরে শুরু হয়েছে হাড় কাঁপানো ঠান্ডার মরশুম। স্থানীয় ভাষায় ‘চিল্লাই কালান’। এর দাপটে শীতে কাঁপছে উপত্যকা। শ্রীনগরে অর্ধ শতাব্দীর শীতলতম রাত ছিল শনিবার। পারদ নেমে যায় হিমাঙ্কের ৮.৫ ডিগ্রি নীচে। শ্রীনগরের ডাল লেকের জলও জমে বরফ। একইসঙ্গে উপত্যকার অন্যান্য অংশের তাপমাত্রাও শূন্যর নীচে নেমে গিয়েছে। কাজিগুন্দে তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৮.২ ডিগ্রি। কুপওয়ারায় মাইনাস ৭.২, কোকেরনাগে মাইনাস ৫.৮ ডিগ্রি। এমন প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে সমস্যা বাড়িয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা।
Advertisement
১৯৭৪ সালের পর এনিয়ে দ্বিতীয়বার শ্রীনগরে রাতের পারদ হিমাঙ্কের এতটা নীচে নামল। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ওই বছরে তাপমাত্রা নেমেছিল মাইনাস ১০.৩ ডিগ্রিতে। তবে এর থেকেও বেশি ঠান্ডার সম্মুখীন হয়েছে কাশ্মীরের রাজধানী শহর। সালটা ছিল ১৯৩৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর। সেদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল মাইনাস ১২.৮ ডিগ্রিতে। এছাড়াও ১৮৯১ সালের ডিসেম্বরেও রাতের তাপমাত্রা মাইনাস ১০.৫ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছিল।
উপত্যকায় প্রচণ্ড ঠান্ডার প্রতিদিন প্রায় ১০-১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। একটানা বিদ্যুৎ না থাকায় ঘর গরম রাখতে পুরনো পদ্ধতিতে ফিরছেন তাঁরা। বুখারি (গ্যাসচালিত হিটার), কাংরি (মাটির উনুন) এবং হামাম (কাঠের উনুন) জ্বেলে ঘর গরম রাখতে হচ্ছে তাঁদের। শ্রীনগরের বাসিন্দা ইয়াসির আহমেদ বলেন, এবারের ঠান্ডা অন্যান্য বারের তুলনায় অনেকটাই বেশি। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে লোডশেডিং। এই অবস্থায় কাংরির মাধ্যমে ঘর গরম রাখতে হচ্ছে। রায়নাওয়ারির বাসিন্দা অব্দুল আহাদ ওয়ানি বলেন, ঘর গরম রাখতে বিদ্যুৎচালিত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি। কিন্তু দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় কাঠের হামাম ব্যবহার শুরু করেছি। বিদ্যুতের উপর আমাদের নির্ভরতা কমাতেই হচ্ছে। কাশ্মীরের পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (কেপিডিসিএল) এক আধিকারিক বলেন, ‘প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টার বিদ্যুৎ ঘাটতির যে দাবি করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। শীতে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার উপর বেশি চাপ পড়ে। ওভারলোডের কারণে শর্টসার্কিট হচ্ছে। আমরা দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ এদিকে আগামী ২৭-২৮ ডিসেম্বর উপত্যকায় হাল্কা তুষারপাতের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর।
উপত্যকায় প্রচণ্ড ঠান্ডার প্রতিদিন প্রায় ১০-১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। একটানা বিদ্যুৎ না থাকায় ঘর গরম রাখতে পুরনো পদ্ধতিতে ফিরছেন তাঁরা। বুখারি (গ্যাসচালিত হিটার), কাংরি (মাটির উনুন) এবং হামাম (কাঠের উনুন) জ্বেলে ঘর গরম রাখতে হচ্ছে তাঁদের। শ্রীনগরের বাসিন্দা ইয়াসির আহমেদ বলেন, এবারের ঠান্ডা অন্যান্য বারের তুলনায় অনেকটাই বেশি। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে লোডশেডিং। এই অবস্থায় কাংরির মাধ্যমে ঘর গরম রাখতে হচ্ছে। রায়নাওয়ারির বাসিন্দা অব্দুল আহাদ ওয়ানি বলেন, ঘর গরম রাখতে বিদ্যুৎচালিত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছি। কিন্তু দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় কাঠের হামাম ব্যবহার শুরু করেছি। বিদ্যুতের উপর আমাদের নির্ভরতা কমাতেই হচ্ছে। কাশ্মীরের পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (কেপিডিসিএল) এক আধিকারিক বলেন, ‘প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টার বিদ্যুৎ ঘাটতির যে দাবি করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। শীতে বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার উপর বেশি চাপ পড়ে। ওভারলোডের কারণে শর্টসার্কিট হচ্ছে। আমরা দ্রুত বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’ এদিকে আগামী ২৭-২৮ ডিসেম্বর উপত্যকায় হাল্কা তুষারপাতের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর।



