Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৮ বছর পর ফ্যামিলি পেনশনের নির্দেশ,স্বস্তিতে মৃত কর্মীর মেয়ে

৮ বছর পর ফ্যামিলি পেনশনের নির্দেশ,স্বস্তিতে মৃত কর্মীর মেয়ে
  • ৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মায়ের মৃত্যুর পরে বন্ধ হয়েছিল পেনশন। ফলে অর্ধাহারেই দিন কাটছিল যাদবপুর বিদ্যাপীঠের গ্রুপ ডি কর্মীর অবিবাহিতা মেয়ে ভারতী দাসের। প্রায় ৮ বছর বাদে বৃহস্পতিবার সেই ফ্যামিলি পেনশনের চিঠি পেয়েছেন বছর পঞ্চাশের ওই মহিলা। এজন্য প্রধান শিক্ষক পার্থপ্রতিম বৈদ্যকে অকুণ্ঠ ধন্যবাদ জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে ব্যাগ তৈরির কারখানায় কাজ করে কোনওরকমে চলছিল। অসুস্থতার জন্য কাজ করতে না পারলে মজুরিও মিলত না। এবার তাঁর খাওয়াপরা নিশ্চিত হল, এ ভেবেই খুশি ভারতীদেবী।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ১৯৯২ সালে মৃত্যু হয়েছিল ওই স্কুলের এক গ্রুপ ডি কর্মীর। তখন পেনশন পাচ্ছিলেন তাঁর স্ত্রী। তারও ২০১৬ সালে মৃত্যু হয়। তবে, এরপর স্কুলের কাছে দরবার করে কোনও লাভ হয়নি ভারতীদেবীর। তাঁর কথায়, বাঘাযতীনের অনেক ভিতরে থাকি। বহুবার হেঁটে স্কুলে এসেছি। স্কুল থেকে হেঁটে কসবায় ডিআই অফিস গিয়েছি। আবার হেঁটেই স্কুল হয়ে বাড়ি ফিরেছি। আগের কর্তৃপক্ষ কোনও সাহায্য করেনি। পার্থপ্রতিমবাবু বলেন, আগের কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল। ওই কর্মীর সার্ভিস বুক খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমি ২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই চেষ্টা শুরু করি। কর্মীর অ্যাপ্রুভাল কপিটি খুঁজে পাওয়া যায়। তার ভিত্তিতেই বাকি কাগজপত্র তৈরি করি। খুবই সাহায্য করেন পদার্থবিদ্যার শিক্ষিকা স্বাতী সেনাপতি। অবশেষে সব কাগজপত্র ডিআই অফিয়ে জমা দিয়ে এআইদেরও বুঝিয়ে এসেছি। হয়ত ডিসেম্বরের পেনশন তিনি জানুয়ারির শুরুতে পেয়ে যাবেন। ২০১৬ সাল থেকে পেনশনের বকেয়াও তাঁকে দেওয়া হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ