


নয়াদিল্লি: বাংলাদেশ থেকে জঙ্গি রিক্রুট করে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি হামলার ছক! লস্কর-ই-তোইবার এই জঙ্গি মডিউলে জড়িত আট জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। তদন্তে উঠে এসেছে মডিউলের মাথা সাব্বির আহমেদ লোনের নামও। আদতে কাশ্মীরের গান্ধেরবালের বাসিন্দা হলেও সে জঙ্গি রিক্রুট করত বাংলাদেশ থেকেই। সূত্রের খবর, তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল লস্করের দুই শীর্ষ নেতা হাফিজ সইদ ও জাকিউর রহমান লকভির। এমনকি ঢাকা-ইসলামাবাদ সরাসরি উড়ান চালু হওয়ার পর প্রথম বিমানেই ঢাকায় পা রাখে সাব্বির। মুম্বই হামলার অন্যতম চক্রী হাফিজ। ভারতের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ এই জঙ্গি তথা লস্করের এই প্রতিষ্ঠাতার কোড নেম ‘চাচাজি’। আর মোস্ট ওয়ান্টেড লকভির সাংকেতিক নাম ‘তায়াজি’ (জ্যেঠু)। লস্করের আরও এক শীর্ষ নেতা আবু আল কামার সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল সাব্বিরের। গত বছর লালকেল্লা বিস্ফোরণের পাশাপাশি ২৬/১১ মুম্বই হামলার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আবুর নাম। গোয়েন্দাদের দাবি, ২০০৫ সালে আবুর হাত ধরেই লস্করে যোগ দিয়েছিল সাব্বির। ২০০৭ সালের দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের হাতে সে গ্রেপ্তারও হয়। ২০১৮ সালে সাব্বির জামিনে বের হয় তিহার জেল থেকে। তারপরেই বাংলাদেশে পাড়ি দেয়। এরপর একাধিকবার চোরাপথে ভারতে এসেছে সাব্বির। বেশ কয়েকবার দিল্লির শাহিনবাগেও গিয়েছিল। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, রাজধানীর বুকে সাব্বিরকে লজিস্টিকাল সাপোর্ট দিয়েছিল লোকাল নেটওয়ার্ক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। বাংলাদেশে বসে ভারতে জঙ্গি মডিউল তৈরির মূল দায়িত্বে ছিল সাব্বির। জানা যাচ্ছে, আইএসআইয়ের নির্দেশে ভারতে অনুপ্রবেশ করা বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়ে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তার জন্যই ভারতে পাঠানো হয়েছিল ধৃত সাত বাংলাদেশি জঙ্গিকে।