Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গরম পড়তে না পড়তেই মশার উপদ্রবে নাজেহাল বনগাঁবাসী

জাঁকিয়ে শীতের শেষে ভরা বসন্ত। দিনের বেলায় গরমে শরীরে ঘাম হলেও ভোর কিংবা রাতে এখনও হালকা শীতের আমেজ। এরই মধ্যে শহরে বেড়েছে মশার উপদ্রব।

গরম পড়তে না পড়তেই মশার উপদ্রবে নাজেহাল বনগাঁবাসী
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০২
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বনগাঁ: জাঁকিয়ে শীতের শেষে ভরা বসন্ত। দিনের বেলায় গরমে শরীরে ঘাম হলেও ভোর কিংবা রাতে এখনও হালকা শীতের আমেজ। এরই মধ্যে শহরে বেড়েছে মশার উপদ্রব। সন্ধ্যা নামতেই মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন বনগাঁর বাসিন্দারা। সন্ধ্যার পর ঘিরে ধরেছে ঝাঁকে ঝাঁকে মশা। মশারির বাইরে থাকাই দায়। মশা রোধে এখনো পর্যন্ত পুরসভাকে সেভাবে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। তবে এভাবে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় বদ্ধ নিকাশি নালাগুলিকেই দায়ী করেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, শহরের নিকাশি নালাগুলি মশার আঁতুড়ঘর হয়ে উঠেছে।

Advertisement

এমন অবস্থায় অনেকেই সন্ধ্যা হলেই শিশুদের মশারির ভিতরে রেখে দিচ্ছেন। কেউ কেউ সন্ধ্যা নামার আগে থেকেই ঘরের দরজা, জানালা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার কেউ কেউ মশা তাড়ানোর বিভিন্ন ধূপ জ্বালাচ্ছেন। শহরের এক চা বিক্রেতা প্রশান্ত মিত্র বলেন, বিকেল পাঁচটা বাজলেই ঝাঁকে ঝাঁকে মশা চলে আসছে। কথা বলতে গেলে কখনও মুখে ঢুকে যাচ্ছে। কামড়ালেই দীর্ঘক্ষণ জ্বলছে সেই জায়গা। বিকেলে পার্কে কিংবা খেলার মাঠেও মিলছে না নিস্তার। রাস্তার পাশে চায়ের ঠেকে আড্ডায় অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে মশার উপদ্রব। বাসিন্দাদের অনেকের মতে, শহরের নিকাশি নালাগুলিতে জল ও নোংরা জমে থাকায় সেখানে মশা বেড়েই চলেছে। যদিও বনগাঁ পুরসভার দাবি, প্রতিনিয়ত নিকাশি নালা পরিষ্কার করা হচ্ছে। সেখানে ব্লিচিং ও মশার লার্ভা মারতে ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। এবিষয়ে বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ মজুমদার বলেন, গরম পড়তেই মশার উপদ্রব ঠেকাতে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্লিচিং ছড়ানো ও নিকাশি নালাগুলিতে নিয়মিত ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। আর শহরে মশার এই উপদ্রবের জন্য বদ্ধ ইছামতী নদীকে দায়ী করেছেন তিনি। পুরপ্রধান বলেন, কেন্দ্রের উদাসীনতায় নদী বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। সেটা মশার আঁতুড়ঘরও। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ