সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: অনেকদিন থেকেই কাঠের বিভিন্ন মূর্তি তৈরি করেন তিনি। তবে ইচ্ছা থাকলেও সময় বা সুযোগের অভাবে প্রভু জগন্নাথদেবের মূর্তি তৈরি করা হচ্ছিল না। বছর দেড়েক আগে ওড়িশা থেকে বায়না পাওয়ার পর জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি করেন উলুবেড়িয়ার বাণীতলার বাসিন্দা প্রিয়ব্রত মণ্ডল। তারপর থেকে একের পর এক বায়না আসতে শুরু করে তাঁর কাছে। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উচ্চতার ২৫টির মতো জগন্নাথদেবের কাঠের মূর্তি নানা জায়গায় পাঠিয়েছেন তিনি। ইদানীং প্রভু জগন্নাথের মূর্তির চাহিদা অনেকটাই বেড়েছে।
প্রিয়ব্রত দীর্ঘদিন ধরেই কাঠের বিভিন্ন শৈল্পিক জিনিস তৈরি করছেন। সরস্বতী, বুদ্ধ সহ বিভিন্ন মূর্তির পাশাপাশি এখন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তিও তৈরি করছেন তিনি। তাঁর কথায়, নিম কাঠ ছাড়া এই মূর্তি তৈরি হয় না। মধ্যপ্রদেশের নিমকাঠ দিয়ে মূর্তি তৈরি করা হয়। পরে রোদে শুকিয়ে রং করা হয়। দুই ইঞ্চি থেকে শুরু করে এক বা দেড় ফুটের মূর্তি তৈরি করেন তিনি। একেক মাপের মূর্তির একেক দাম। ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে চার হাজার টাকা পর্যন্ত দাম রাখা হয়েছে। দু’-একটি বাদে রাজ্যের সব জেলাতেই তাঁর তৈরি মূর্তি পৌঁছে গিয়েছে। পাশাপাশি ওড়িশা, গোয়া, কর্ণাটকেও গিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিয়ব্রত। এক একটি মূর্তি তৈরি করতে তিন-চার দিন সময় লাগে। প্রিয়ব্রত মণ্ডল বলেন, ওড়িশা থেকে জগন্নাথদেবের মূর্তির অর্ডার আসার পর ঠিকমতো বানাতে পারব কি না, তা নিয়ে সংশয়ে ছিলাম। সেই প্রথম মূর্তি তৈরি করার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে বায়না আসতে শুরু করে। তবে দীঘায় মন্দির হওয়ার পর জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তির অর্ডার অনেকটাই বেড়েছে।