


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: খরচ যা দেখানো হচ্ছে, আদতে কি সেটিই লাগছে? নাকি বেশি হিসেব দেখানো হচ্ছে? এবার অর্থ সংক্রান্ত নজরদারি শুরু করছে শ্রম মন্ত্রক। সরকারি সূত্রে খবর, মন্ত্রকের আওতায় থাকা কর্মচারী রাজ্য বিমা নিগম (ইএসআইসি) দিয়েই আপাতত এই প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে। সেইমতো নিগমের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। সেখানে কার্যালয়গুলির উদ্দেশে জানানো হয়েছে, ২০২৪-২৫ আর্থিক বছর জুড়ে কী কেনা হয়েছে, তার প্রকৃত খরচ কত, বাজার মূল্য কী ছিল, তা নির্দিষ্ট মর্মে পাঠাতে হবে।
ইএসআইয়ের গ্রাহক এবং উপভোক্তারা ঠিক কী পরিষেবা পেয়েছেন, সেটিও উল্লেখ করতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই এহেন নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে তীব্র জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। বলা হয়েছে, কী কেনা হয়েছে, কোন পদ্ধতিতে তা কেনা হয়েছে, কবে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে—সবই জানাতে হবে। একইসঙ্গে উল্লেখ করতে হবে, কেনার খরচ কত ধরা হয়েছিল এবং বাস্তবে কিনতে কত টাকা খরচ হয়েছে, তার সবিস্তার তথ্যও। এই অংশটিকে অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। যদিও এই ব্যাপারে কর্মচারী রাজ্য বিমা নিগম কিংবা শ্রম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে সরকারি সূত্রে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে অন্য কোনও জটিলতা নেই। সুষ্ঠু পরিচালনের উদ্দেশ্যে ‘রুটিন’ নির্দেশিকা মাত্র। তবে সম্প্রতি যেভাবে জলশক্তি মন্ত্রকের আওতাধীন জল জীবন মিশন কর্মসূচির খরচ বৃদ্ধি নিয়ে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সেই প্রেক্ষিতে কর্মচারী রাজ্য বিমা নিগমের এহেন নির্দেশিকাকে মোটেও হালকাভাবে নিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।