Bartaman Logo
২৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

করাচিতে আততায়ীর হামলায় মৃত্যু হাফিজ সইদ ঘনিষ্ঠ আরও এক জঙ্গি

২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদ কি আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন? ১৬ মার্চ দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল হাফিজের ঘনিষ্ঠ আবু কাতালের।

করাচিতে আততায়ীর হামলায় মৃত্যু হাফিজ সইদ ঘনিষ্ঠ আরও এক জঙ্গি
  • ১ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

করাচি: ২৬/১১ মুম্বই জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদ কি আরও কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন? ১৬ মার্চ দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল হাফিজের ঘনিষ্ঠ আবু কাতালের। এবার ঈদের দিন ভরা বাজারে খুন করা হল জঙ্গি নেতার আর এক সঙ্গী আব্দুল রহমানকে। সোমবার পাকিস্তানে করাচিতে একটি দোকানের ভিতর আব্দুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এক অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ী। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আব্দুলের। হাফিজের প্রতিষ্ঠিত জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তোইবার জন্য অর্থ জোগাড়ের দায়িত্বে ছিল আব্দুল। তার এক সঙ্গীও গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তবে সে বেঁচে রয়েছে কি না, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। 

Advertisement

এদিন সকালে একটি দোকানে গিয়েছিল আব্দুল। পাশে বসেছিল তার সঙ্গী। সেই সময় দুজন একটি  বাইকে চেপে দোকানের সামনে দাঁড়ায়। একজন বাইকেই বসেছিল। অন্যজন বাইক থেকে নেমে এগিয়ে এসেই সোজা আব্দুলের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সে পড়ে যেতেই তার সঙ্গীকেও গুলি করে আততায়ী। তারপর ধীরেসুস্থে পালিয়ে যায় তারা। গুলি চালানোর দৃশ্য ওই দোকানের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। 
সূত্রের খবর, জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর জন্য লস্করের জন্য তহবিল সংগ্রহের দায়িত্বে ছিল আব্দুল। করাচি থেকেই সে কাজ সামলাতো। পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকা থেকে আব্দুলের লোকজন করাচিতে অর্থ পৌঁছে দিত। বিভিন্ন স্তরে পরিচিতি ও যে কোনও সময়ে অর্থ জোগাড় করে দেওয়ার ক্ষমতার জোরে আব্দুল লস্করের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে উঠেছিল এই জঙ্গি।
গত ১৬ মার্চ পাকিস্তানেরই পাঞ্জাব প্রদেশে আবু কাতালকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেয় অজ্ঞাতপরিচয় হামলাকারীরা। প্রাণ হারায় কাতালের এক দেহরক্ষীও। এনআইএ সহ বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় নাম ছিল তার। গত বছরের জুন মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসিতে পুণ্যার্থীদের বাসে জঙ্গিরা হামলা চালায়। তাতে মৃত্যু হয় ১০ জনের। ওই হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিল কাতাল। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ