Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির ভোটার লিস্টেও মিলল অমিতাভ বচ্চনের নাম, প্রশ্নের মুখে কমিশন

স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া চলার সময় একাধিকবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা।

উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসির ভোটার লিস্টেও মিলল অমিতাভ বচ্চনের নাম, প্রশ্নের মুখে কমিশন
  • ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ঝাঁসি: স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া চলার সময় একাধিকবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। কমিশন যে পুরোনো ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে অনেক বৈধ ভোটারের নাম নেই বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে। আর এবার এসআইআর বিতর্কে নাম জড়াল বলিউড শাহেনশা অমিতাভ বচ্চনের। বহু বছর ধরে বিগ বি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। তিনি প্রতিবার মুম্বইয়ের জুহুর বুথে ভোট দেন। অথচ দেখা যাচ্ছে ২০০৩ সালে উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতেও ভোটার তালিকায় অমিতাভের নাম রয়েছে। তাঁর বাবা প্রয়াত কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের নামও রয়েছে ওই তালিকায়। ঠিকানা হিসেবে লেখা রয়েছে ঝাঁসির ওরছা গেটের কাছে কাচিয়ানি এলাকার ৫৪ নম্বর বাড়ি। বর্তমানে অবশ্য ওই ঠিকানায় কোনও বাড়ি নেই। সেখানে মন্দির তৈরি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি অমিতাভের পরিবার ওই এলাকায় কোনওদিন বসবাস করত? ওই এলাকার অন্য বাসিন্দারা বলছেন, তাঁরা বিগ বি’কে শুধু সিনেমা বা টিভিতেই দেখেছেন। কিন্তু কাচিয়ানি এলাকায় অমিতাভ তো দূরের কথা, তাঁর আত্মীয়দের কেউ কোনওদিন বসবাস করেছেন বলে শোনেননি। বিষয়টি জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুরোনো ভোটার তালিকা ও এসআইআর প্রক্রিয়া কতটা নির্ভুল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। কাচিয়ানি এলাকার বাসিন্দারাও বলছেন, অমিতাভ বচ্চনের মতো একজন হাই-প্রোফাইল ব্যক্তির নাম কী করে সেখানকার ভোটার তালিকায় যুক্ত হল, তার ব্যাখ্যা দিক কমিশন।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের মতোই উত্তরপ্রদেশে এখন এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে। বহু ভোটারই তাই ২০০৩ সালের তালিকা ডাউনলোড করেছিলেন। ভোটারদের অনেকেই দাবি করেছেন, ২০০৩ সালে তাঁরা ভোট দিয়েছিলেন। অথচ কমিশনের দেওয়া তালিকায় নাম নেই। এর মধ্যেই দেখা যায়, কাচিয়ানি এলাকায় ৫৪ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা হিসেবে তালিকায় ৫৪৩ নম্বরে নাম রয়েছে অমিতাভের। সেই সময় তাঁর বয়স ছিল ৭৬। ওই একই বাড়ির বাসিন্দা হিসেবে সুরেন্দ্র কুমার নামও তালিকায় রয়েছে। তালিকায় ৫৪৪ নম্বরে নাম রয়েছে সুরেন্দ্রর। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে অবশ্য কমিশনের তরফে কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ