


ময়ূরভঞ্জ (ওড়িশা): পারিবারিক অশান্তির জের। স্ত্রী ও শাশুড়িকে ঘুমন্ত অবস্থায় পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন। এরপর দু’টি দেহ টেনে হিঁচড়ে বাড়ির লেবু বাগানে নিয়ে যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি। তুমুল বৃষ্টি ও অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে মাটি খুঁড়ে দেহগুলি সেখানেই পুঁতে দেয়। সন্দেহ এড়াতে তার উপর কলাগাছের চারা বসিয়ে দেয় সে। শুধু তাই নয়, অপরাধ ঢাকতে অভিযুক্ত নিজেই থানায় গিয়ে স্ত্রী ও শাশুড়ির নামে নিখোঁজ ডায়েরি করে। যদিও শেষ পর্যন্ত অপরাধ ধামাচাপা দেওয়া যায়নি। পুলিস অভিযুক্ত ব্যক্তির বাগানে মাটি খুঁড়ে দু’টি পচাগলা দেহ উদ্ধার করেছে। দেহগুলি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ওড়িশার ময়ূরভঞ্জ জেলার এই ঘটনায় শোরগোল তুঙ্গে।
পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্ত দেবাশিস পাত্রের সঙ্গে অশান্তির জেরে বাপের বাড়ি চলে গিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী ২৩ বছরের সোনালি দালাল। মিটমাটের লক্ষ্যে গত ১২ জুলাই মেয়ে সোনালিকে নিয়ে তাঁর মা সুমতী দালাল দেবাশিসের বাড়িতে আসেন। কিন্তু ১৯ জুলাই ফের প্রচণ্ড অশান্তি হয়। রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী ও শাশুড়িকে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করে দেহ বাগানে পুঁতে দেয় অভিযুক্ত। শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে সে বলে, ছেলেকে আমার কাছে রেখে ওরা দু’জনেই চলে গিয়েছে। থানায় গিয়ে নিখোঁজ ডায়েরিও করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। কিন্তু বাড়ির বাগানে কলাগাছের চারার আশপাশে মাটি আলগা দেখে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। তাঁরা পুলিসকে জানান। পুলিসের জেরার মুখে ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত। পরে দু’টি পচাগলা দেহ উদ্ধার করে পুলিস।