


হায়দরাবাদ: অভিষেক শর্মার তাণ্ডবে চাপে দিল্লি ক্যাপিটালস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বাঁ-হাতি ওপেনারের ব্যাটে এল ঝোড়ো শতরান। ৬৮ বলে তাঁর অপরাজিত ১৩৫ রানের সুবাদে দিল্লির বিরুদ্ধে ২ উইকেটে ২৪২ তুলল কমলা ব্রিগেড। জবাবে এই প্রতিবেদন লেখার সময় ছয় ওভারে দিল্লি এক উইকেটে তুলেছে ৫৯। ক্রিজে আছেন লোকেশ রাহুল (২৩) ও নীতীশ রানা (২৭)। আউট হয়েছেন পাথুম নিশাঙ্কা (৮)।
কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে ওপেন করতে নেমে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার অপরাজিত থাকলেন অভিষেক। ২০২২ সালে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতেও নটআউট ছিলেন তিনি। তারপর এই প্রথম। কোটিপতি লিগে এটা তাঁর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। গতবছর পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে এসেছিল ১৪১। সার্বিকভাবে এই ঘরানায় এটা অভিষেকের নবম শতরান। তিনি স্পর্শ করলেন ভারতীয়দের মধ্যে শীর্ষে থাকা বিরাট কোহলিকে। তালিকায় দু’নম্বরে রোহিত শর্মা (৮)। বিশ্বক্রিকেটে অভিষেকের চেয়ে এগিয়ে আছেন ক্রিস গেইল, বাবর আজম ও ডেভিড ওয়ার্নার।
অভিষেকের ইনিংসের বৈশিষ্ট্য হল তাঁর পরিণত মানসিকতা। মারমার কাটকাট মেজাজে আগাগোড়া চালাননি তিনি। বরং পরিস্থিতি বুঝে পাল্টেছেন গিয়ার। আক্রমণাত্মক মানসিকতার সঙ্গে মিশিয়েছেন নিয়ন্ত্রণ। তারপরও ২৫ বলে হাফ-সেঞ্চুরির পর শতরানে পৌঁছাতে নিয়েছেন ৪৭ বল। সার্বিকভাবে দশটি ছক্কা ও দশটি চারে ইনিংস সাজান তিনি। বক্সে বাবার উপস্থিতিতে শতরান আসায় তৃপ্ত অভিষেক, ‘অরেঞ্জ আর্মির সামনে সেঞ্চুরি সব সময়ই স্পেশাল। তার উপর গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন বাবা। তবে ওরা ডেথ ওভারে খুব ভালো বল করেছে। শট নেওয়ার পক্ষে উইকেটও ততটা সহায়ক ছিল না। মনে হচ্ছিল ২২০-২৩০ এই পিচে পার স্কোর।’ অভিষেক ছাড়া হায়দরাবাদের হয়ে রান পান ট্রাভিস হেড (২৬ বলে ৩৭), ক্যাপ্টেন ঈশান কিষান (১৩ বলে ২৫), হেনরিখ ক্লাসেন (১৩ বলে অপরাজিত ৩৭)।