Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নয়া ও পুরনো জেটিকে জুড়বে ঝুলন্ত টার্মিনাল, থাকবে রেস্তরাঁ

চুঁচুড়া থেকে নৈহাটির বড়মা’র মন্দিরে যাওয়ার ভিড় বৃদ্ধির কারণে আগেই দু’টি পৃথক জেটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। একটি জেটি দিয়ে লঞ্চে করে পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা যাবেন।

নয়া ও পুরনো জেটিকে জুড়বে  ঝুলন্ত টার্মিনাল, থাকবে রেস্তরাঁ
  • ১৭ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চুঁচুড়া থেকে নৈহাটির বড়মা’র মন্দিরে যাওয়ার ভিড় বৃদ্ধির কারণে আগেই দু’টি পৃথক জেটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। একটি জেটি দিয়ে লঞ্চে করে পুণ্যার্থী ও সাধারণ যাত্রীরা যাবেন। ফিরতি পথে নামবেন অন্য একটি জেটিতে। এবার এই প্রকল্পে জুড়তে চলেছে নতুন পালক। ঠিক হয়েছে, ওই দু’টি জেটিকে যুক্ত করবে একটি ঝুলন্ত টার্মিনাল। সেই পথ দিয়ে যাত্রীরা কেবল দু’টি জেটির মধ্যে যাতায়াত করতে পারবেন, তা নয়। প্রায় ১০০ মিটারের এই ঝুলন্ত টার্মিনালে থাকবে আধুনিক কফি শপ থেকে রেস্তরাঁ। এমনই পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে পরিবহণ দপ্তর। শুক্রবার দপ্তরের একটি দল ওই জেটিদু’টি ঘুরে দেখেন। সেখান থেকেই এই খবর পাওয়া গিয়েছে। 

Advertisement

সংশ্লিষ্ট প্রজেক্ট অফিসার অনিমেষ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘চুঁচুড়ার জন্য একটি একটি বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। দু’বছরের মধ্যে আমরা ওই প্রকল্প শেষ করে ফেলব। যাত্রীদের সুবিধার পাশাপাশি একটি বাণিজ্যিক মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবেও টার্মিনালটি গড়ে উঠবে।’ চুঁচুড়াতে সাকুল্যে তিনটি পৃথক জেটি তৈরির পরিকল্পনার কথা আগেই পুরসভার চেয়ারম্যান ঘোষণা করেছিলেন। এদিন নতুন টার্মিনাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘চুঁচুড়ার জন্য ওই প্রকল্প একটি ল্যান্ডমার্ক হবে। অনেকেই বিভিন্ন জায়গা দখল করে ব্যবসা করছেন। তাঁদের জন্য একটি বিকল্প পথ খুলে যাবে। পাশাপাশি, একটি আধুনিক শপিং মলের মতো চেহারা পাবে ওই টার্মিনাল। রেস্তেরাঁ থেকে টিকিট কাউন্টার, প্রসাদ ও ফুলের দোকান থেকে কপি শপ—সবই থাকবে। দু’টি জেটিঘাটকে জুড়ে ৫০০মিটার এলাকায় একটি পার্ক তৈরি করা হবে। সেটিও নাগরিকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের হবে বলে আমাদের আশা।’  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ