Bartaman Logo
১৮ জুন, ২০২৬

সুবিচারের পথে বড় পদক্ষেপ, বিজেপিকে বিঁধে সরব তৃণমূল, দিল্লির জয় হিন্দ কলোনি উচ্ছেদে স্থগিতাদেশ আদালতের

বসন্ত কুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনি উচ্ছেদে স্থগিতাদেশ দিয়েছে পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। তার পরেই এই ইস্যুতে বিজেপিকে চেপে ধরল তৃণমূল।

সুবিচারের পথে বড় পদক্ষেপ, বিজেপিকে বিঁধে সরব তৃণমূল, দিল্লির জয় হিন্দ কলোনি উচ্ছেদে স্থগিতাদেশ আদালতের
  • ২৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বসন্ত কুঞ্জের জয় হিন্দ কলোনি উচ্ছেদে স্থগিতাদেশ দিয়েছে পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। তার পরেই এই ইস্যুতে বিজেপিকে চেপে ধরল তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডলে তৃণমূল লিখেছে, বসন্ত কুঞ্জে বাঙালি উচ্ছেদ অভিযানে স্থগিতাদেশ দিল দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। সুবিচারের পথে এটা একটা উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। বাংলায় কথা বলার ‘অপরাধে’ বাংলাদেশি তকমা দিয়ে শুধু ওই বস্তিবাসীদেরই নয়, বিজেপিশাসিত একাধিক রাজ্য থেকেও বাংলার পরিযায়ীদের একাংশকে হেনস্তা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাংলা ও বাঙালির অপমানের ইস্যুতে আজ, শুক্রবার আলোচনার নোটিস দেবে তৃণমূল। উল্লেখ্য, নীতি আয়োগের রিপোর্টে কেন বাংলার মানচিত্রের বদলে বিহারের ছবি, তা নিয়ে বৃহস্পতিবার সংসদের বাইরে সরব হন তৃণমূলের এমপিরা।

Advertisement

বাঙালিকে অপমান ইস্যুতে সরকার পক্ষকে চাপে ফেলতে সংসদে সরব হন তৃণমূলের রাজ্য‌সভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। জালিয়ানওয়ালা বাগে গুলি চলার প্রতিবাদে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেওয়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনও ছবি বা মূর্তি পাঞ্জাবের ওই সংগ্রহশালায় রয়েছে কি না, প্রশ্ন তোলেন তিনি। লিখিত জবাবে সংস্কৃতি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত জানিয়েছেন, মূর্তি নেই। ভবিষ্যতেও তা রাখার কোনও পরিকল্পনা নেই। অন্যদিকে, বাংলার বঞ্চনার ইস্যুতে মোদি সরকারকে কোণঠাসা করতে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন দীপক অধিকারী (দেব)। জবাবে জলশক্তি মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজভূষণ চৌধুরী জানিয়েছেন, কেন্দ্রের বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পে তা যুক্ত করা হয়নি। নতুন প্রকল্প যুক্ত করতে ২০২১-২৬ সালের কর্মসূচিতে মাত্র ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। তাই তার মধ্যে ঘাটালকে জায়গা দেওয়া হয়নি। চাইলে রাজ্য সরকার বাইরে থেকে ঋণ নিয়ে তা করুক।
এদিন ছিল তামিলনাড়ুর এমডিএমকে’র সাংসদ ভাইকোর বিদায়ী বক্তৃতা। তাঁর কথায় উঠে আসে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ। বক্তৃতার মধ্যে কালো শালের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। বলেন, ‘একসময় মমতা দিদি যখন সংসদে সরকারের বিরুদ্ধে সরব হন। তখন প্রতীকী প্রতিবাদের জন্য আমার থেকে কালো শাল চেয়েছিলেন। কালো শাল তাঁকে শক্তি জুগিয়েছিল। সেই সময়ে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসবাদের সমান বলেও উল্লেখ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ তামিলনাড়ুর বিদায়ী সাংসদের মুখে মমতার স্মৃতিচারণের পর বাংলায় বক্তব্য রাখেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। ভাইকোর সুস্বাস্থ্যও কামনা করেন তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ