Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঝাড়গ্রামে যুবসাথী প্রকল্পে ৮৪ হাজার নাম নথিভুক্ত

ঝাড়গ্রাম জেলায় যুবসাথী প্রকল্পে ৮৪ হাজার নাম নথিভুক্ত হয়েছে। সোমবার থেকে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ধাপে, ধাপে ঢুকবে টাকা।

ঝাড়গ্রামে যুবসাথী প্রকল্পে ৮৪ হাজার নাম নথিভুক্ত
  • ৯ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব  প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রাম জেলায় যুবসাথী প্রকল্পে ৮৪ হাজার নাম নথিভুক্ত হয়েছে। সোমবার থেকে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ধাপে, ধাপে ঢুকবে টাকা। রবিবার রাজ্যের বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, যুবসাথী নিয়ে সমালোচনামূলক নানা বক্তব্য রাখা হচ্ছে। অথচ যাঁরা সমালোচনা করছেন তাঁরা জানেন না এই জেলার মানুষের আর্থিক অবস্থার কথা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের হাত ধরে মেয়েদের পারিবারিক, সামাজিক অবস্থার বদল ঘটছে। গরিব পরিবারের যুবক, যুবতীরা যুবসাথীর টাকায় চাকরি বা স্বনির্ভর কাজের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবেন। 

Advertisement

ঝাড়গ্রাম দীর্ঘদিন পিছিয়ে পড়া জেলা হিসেবে চিহ্নিত ছিল। বছরে একবার মাত্র চাষাবাদ হত। বাড়তি রোজগারের জন্য ভিনরাজ্যে পাড়ি দিতে হত। আর্থিক সঙ্কটের জেরে আদিবাসী সমাজের যুবক, যুবতীরা কাজে নামতে বাধ্য হতেন। সরকারি সহায়তা সীমিত ছিল। রাজ্যে তৃণমূল সরকার এলে  কৃষি , স্বাস্থ্য, শিক্ষা সহ সার্বিক উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। জেলার যুবক, যুবতীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির চেষ্টা শুরু হয়। জেলার কর্ম বিনিয়োগ দপ্তর বিনামূল্যে সরকারি, বেসরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হয়। শহরের বেকার যুবক, যুবতীদের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার আদিবাসী যুবক যুবতীরাও এখানে বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। যুবসাথীর মতো প্রকল্প প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাওয়ার আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। রাজ্য এই প্রকল্পে ২১ থেকে ৪০বছর পর্যন্ত মাধ্যমিক উত্তীর্ণ যুবক, যুবতীদের প্রতিমাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করে। ঝাড়গ্রাম জেলায় প্রথম দিনের শিবিরে ৭ হাজার ৪২০টি, দ্বিতীয় দিনে ১৫ হাজার ৭৮১টি ও তৃতীয় দিনে ১২হাজার ৪৪৬টি আবেদন জমা পড়ে। শিবির শেষে সেই সংখ্যা ৮৪ হাজারে পৌঁছায়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ২ হাজার ৫০০ জনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। ধাপে ধাপে সব নথিভুক্ত উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু  করবে। 
বিনপুর -২ ব্লকের ধরমপুর গ্ৰামের  যুবক রামকৃষ্ণ বিদ বলেন, অনেক আশা নিয়ে যুবসাথী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করেছি। চাকরির পরীক্ষার প্রশিক্ষণ থেকে যাতায়াতের খরচ ও বইপত্র কেনার কাজে এই টাকা লাগবে। এই সরকার আমাদের কথা কিন্তু ভেবেছে। শিলদার যুবক অয়ন আদক বলেন, এখন কলেজে পড়াশোনা করছি। যুবসাথীর টাকা পেলে বাড়িতে সবসময় হাত পাততে হবে না। ভরসা পাচ্ছি সরকার আমাদের পাশে আছে ভেবে। 
জেলা কর্ম বিনিয়োগ কেন্দ্রের এক আধিকারিক বলেন, আদিবাসী যুবক ও যুবতীরা চাকরির প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। স্বনির্ভর হওয়ার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাঁরা। সংখ্যাটা দিন দিন বাড়ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ