Bartaman Logo
৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাড়ে ৩ মাসে ২.২৫ লক্ষ শংসাপত্র প্রদান

প্রকল্পের বয়স মাত্র সাড়ে তিন মাস। এই সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২ লক্ষ ২৫ হাজার শংসাপত্র দিয়ে রেকর্ড গড়ল রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত দপ্তর।

সাড়ে ৩ মাসে ২.২৫ লক্ষ শংসাপত্র প্রদান
  • ১৬ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রকল্পের বয়স মাত্র সাড়ে তিন মাস। এই সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২ লক্ষ ২৫ হাজার শংসাপত্র দিয়ে রেকর্ড গড়ল রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত দপ্তর। ডিসেম্বর মাসের শেষের দিক থেকে অনলাইনে  কাস্ট অথেন্টিকেশন সার্টিফিকেট (জাতিগত শংসাপত্রের আবেদনের জন্য প্রধানের শংসাপত্র), ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট, ব্যক্তি পরিচয়পত্র, রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট, ইনকাম সার্টিফিকেট, আনম্যারেড (অবিবাহিত) সার্টিফিকেট এবং ডিসট্যান্স সার্টিফিকেট দেওয়ার পরিষেবা চালু করেছিল পঞ্চায়েত দপ্তর। রাজ্যের প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এই পরিষেবা দিতে শুরু করেছে। ফলে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে দেওয়া হয়, এমন সমস্ত শংসাপত্র পেতে আর হয়রানির একশেষ হতে হয় না সাধারণ মানুষকে।

Advertisement

রাজ্য সরকার সূত্রে খবর, সব ধরনের শংসাপত্র মিলিয়ে অনলাইনে মোট ২ লক্ষ ৮৪ হাজার আবেদন এসেছিল। যার ২ লক্ষ ৭৭ হাজার আবেদনের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে ২ লক্ষ ২৫ হাজার আবেদনকারীকে। যাচাইয়ের পরে ৫২ হাজার ৩২৭টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে। অর্থাৎ, মাত্র সাড়ে তিন মাসের মধ্যে ৯৭.৭৭ শতাংশ আবেদন যাচাই করে পরিষেবা প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে। রাজ্যের তথ্য অনুযায়ী, আবেদন জমা পড়ার সাতদিনের মধ্যে অধিকাংশ পরিষেবা সুনিশ্চিত করা হয়েছে। সামান্য কিছু ক্ষেত্রে ১৫ দিনের বেশি আবেদন পড়ে তাকছে বলে উঠে এসেছে রাজ্যের সমীক্ষায়। মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, মালদহ, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় শংসাপত্র প্রদানের হার বেশি। দক্ষিণ দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, পশ্চিম বর্ধমান এবং হাওড়া জেলায় এই হার তুলনামূলক কম। প্রসঙ্গত সরকারি পরিষেবার পাওয়ার ক্ষেত্রে আম জনতার দুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণের বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সূত্রেই গ্রামবাংলার মানুষ এখন ঘরে বসেই অনলাইনে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র হাতে পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার।
সেই সঙ্গে এই অনলাইন পরিষেবা চালু হওয়ার ফলে সংশ্লিষ্ট পরিষেবাকে ‘লাল ফিতের ফাঁস’ থেকে মুক্ত করা সম্ভব হয়েছে বলেও মনে করে রাজ্যের প্রশাসনিক মহল। পঞ্চায়েত দপ্তরের পোর্টালে ঢুকে ‘অনলাইন জিপি সার্টিফিকেট’ ক্লিক করলেই ‘সিটিজেনস কর্নার’ নামক নতুন একটি পেজ খুলবে। সেখানে পছন্দমতো ইংরেজি, বাংলা বা নেপালি ভাষা বেছে নিয়ে সহজেই আবেদন করা যায়। প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য আপলোড করতে হবে আবেদনকারীকে। একজনের শংসাপত্র যাতে অন্য কেউ ডাউনলোড না করতে পারে, তার জন্য আবেদনকারীর দেওয়া মোবাইল নম্বরে ওটিপি পাঠানোর সুরক্ষাও রয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ