


সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: ভারতীয় একটি ট্রলারকে আটক করেছে বাংলাদেশের উপকূল রক্ষী বাহিনী। শনিবার গভীর রাতে বাংলাদেশের জল সীমানার ভিতর থেকে এফবি পারমিতা নামক ট্রলারটিকে আটক করা হয়েছে। ওই ট্রলারে মোট ১৪ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। জানা গিয়েছে, ৩০ জুলাই পাথরপ্রতিমার খেয়াঘাট থেকে ট্রলারটি গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল। কিন্তু সেদিনই সন্ধ্যার পর ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এরপরই সেটি গভীর সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে বাংলাদেশের জল সীমানায় ঢুকে পড়ে। তখন ওই দেশের উপকূল রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা ট্রলারটিকে আটক করেন। বর্তমান সেটিকে বাংলাদেশের মঙ্গলা মৎস্যবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদিকে, বাংলাদেশে আটক ওই ১৪ ভারতীয় মৎস্যজীবীর পরিবার চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ দিন আগেও ভারতীয় দুটি ট্রলারকে বাংলাদেশের উপকূল রক্ষী বাহিনী আটক করেছিল। আবার একটিকে আটক করা হল। মোট তিনটি ট্রলার এখন বাংলাদেশে আটক রয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৮ জন মৎস্যজীবী সেদেশে আটকে পড়েছেন। বাংলাদেশ আটক হওয়া এক মৎস্যজীবী গোবিন্দ দাসের স্ত্রী পানু দাস বলেন, পাঁচদিন আগে স্বামী ট্রলারে করে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছেন। তারপর থেকে কোনও যোগাযোগ নেই। এখন শুনছি ওই ট্রলারটিকে বাংলাদেশের উপকূল রক্ষী বাহিনী আটক করেছে। শোনার পর থেকেই খুবই চিন্তায় পড়ে গিয়েছি। বাড়িতে ছোটছোট ছেলে-মেয়ে রয়েছে। কী করব এখন বুঝে উঠতে পারছি না। সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, এই ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে সেটি ভাসতে ভাসতে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিল। তখনই আটক করা হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।