Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১২ ঘণ্টায় পরিষেবা, হাবড়ায় অসহায় পরিবারের ‘মুশকিল আসান’ রূপশ্রী

১০ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় মেয়ের বিয়ের পাকা কথা হয়। বিয়ে ঠিক হয় বুধবার। হতদরিদ্র পরিবার এত তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়া নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান।

১২ ঘণ্টায় পরিষেবা, হাবড়ায় অসহায় পরিবারের ‘মুশকিল আসান’ রূপশ্রী
  • ১৩ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ১০ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় মেয়ের বিয়ের পাকা কথা হয়। বিয়ে ঠিক হয় বুধবার। হতদরিদ্র পরিবার এত তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়া নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান। অসহায় এই পরিবারের ‘মুশকিল আসান’ হল রাজ্য সরকারের রূপশ্রী প্রকল্প। আবেদনের ১২ ঘণ্টার মধ্যে হবুবধূর হাতে রূপশ্রী প্রকল্পের ২৫ হাজার টাকা তুলে দিল ব্লক প্রশাসন। এর জন্য স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে পরিবার। ঘটনাটি হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের বেড়গুম ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণনগর কালীবাড়ি এলাকার।

Advertisement

কৃষ্ণনগর কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা রবীন দাস পেশায় দিনমজুর। তাঁর ২৩ বছরের মেয়ে প্রিয়াঙ্কার বিয়ে ঠিক হয় বুধবার। হাতে ছিল মাত্র একদিন। তড়িঘড়ি পরিবারের লোকেরা স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি খোলসা করে বলেন। মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের প্রধান ঝুমা ঘোষের দ্বারস্থ হন হবুবধূর বাবা-মা সহ পরিজনেরা। সার্বিক দিক বিচার ও তদন্ত করে প্রিয়াঙ্কার হাতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। এ বিষয়ে প্রিয়াঙ্কার কাকা সঞ্জয় দাস বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কৃতজ্ঞতা জানানোর আমাদের ভাষা নেই, তাছাড়া পঞ্চায়েতের প্রধান ও সদস্য যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাতে আমরা কৃতজ্ঞ। রাজ্য সরকারের এই টাকা পেয়ে আমরা বিয়ের অনুষ্ঠান করতে পারলাম। পঞ্চায়েত প্রধান ঝুমা ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত ভাবনা অনবদ্য। হতদরিদ্র এই পরিবারের হাতে দ্রুতগতিতে আমরা পরিষেবা পৌঁছে দিতে পেরে খুশি। হাবড়া ১ বিডিও সুবীর দণ্ডপাট বলেন, সব নিয়ম মেনে ২৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে আবেদনকারীদের কাছে আমার বার্তা, শেষ মূহূর্তে কোনও পরিবার যেন আমাদের কাছে আবেদন না করেন। অন্তত কিছুটা সময় প্রয়োজন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ