Bartaman Logo
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কেন্দ্রের চাপে 'নরম' জুকেরবার্গের সংস্থা, শিশু নিগ্রহের কনটেন্ট মিললেই জানাবে পুলিশকে

সামাজিক মাধ্যমে শিশু নির্যাতন, অত্যাচার বা নিগ্রহমূলক কোনো কনটেন্টের বিরুদ্ধে আগেই সরব হয়েছে ভারত সরকার। শিশু সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মেটাকে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল কেন্দ্র।

কেন্দ্রের চাপে 'নরম' জুকেরবার্গের সংস্থা, শিশু নিগ্রহের কনটেন্ট মিললেই জানাবে পুলিশকে
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৩
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি, ১৫ সেপ্টম্বর: সামাজিক মাধ্যমে শিশু নির্যাতন, অত্যাচার বা নিগ্রহমূলক কোনো কনটেন্টের বিরুদ্ধে আগেই সরব হয়েছে ভারত সরকার। শিশু সুরক্ষা ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মেটাকে আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল কেন্দ্র। এবার সেই চাপে সুর নরম হল মেটার। একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানা যায় এই বিষয়ে ভারত সরকারকে সাহায্য করতে রাজি হয়েছে মেটা। সংস্থার তরফে জানানো হয় অনলাইনে এই ধরনের কোনো কনটেন্ট দেখা দিলেই মেটা তা তৎক্ষনাৎ দেশের তদন্তকারী সংস্থাকে জানাবে। 

Advertisement

সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারতে ব্যবহৃত সমস্ত রকম সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা তাঁদের একটি মৌলিক শর্ত। এই বিষয়ে কোনও আপস করা হবে না। শিশুদের ক্ষতি করতে পারে এমন বিষয়বস্তু প্রচার ও বিস্তার রুখতে কেন্দ্র নিয়মিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করেছে। আরও জানানো হয়, অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংস্থার সঙ্গেও আলোচনা চলছে। শিশুদের যৌন শোষণ ও নির্যাতন সংক্রান্ত বিষয়বস্তু চিহ্নিত করে দ্রুত সরিয়ে ফেলা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। যে কোনও প্ল্যাটফর্ম শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সক্রিয় পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে কেন্দ্র।

সাম্প্রতিক মেটা পরিচালিত ইনস্টাগ্রামে একটি বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। যেখানে শিশু নির্যাতনকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এমনকি ওই বিজ্ঞাপনে শিশু যৌন শোষণমূলক এবং অপমানজনক কনটেন্ট দেখানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর মেটার তরফে জানানো হয়, বিষয়টি খতিয়ে দেখে একাধিক বিজ্ঞাপনের প্রদর্শন বন্ধ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বেশ কিছু অ্যাকাউন্ট সাসপেন্ডও করা হয়। তবে এবার শুধুমাত্র অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে সংক্রান্ত কনটেন্টের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও পরিকল্পিত পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চাইছে সরকার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ