গুরুগ্রাম: বাইকার তরুণীকে ধাওয়া করে ধাক্কা মারার অভিযোগ উঠল একদল মদ্যপ যুবকের বিরুদ্ধে। গুরুগ্রামের গল্ফ কোর্স রোডের ঘটনা। অন্যান্য দিনের মতোই রবিবার স্পোর্টস বাইকে চেপে গ্রুপের বাকি সদস্যদের সঙ্গে যাচ্ছিলেন সিয়া নামে ওই তরুণী। সেইসময় একটি গাড়ি তাঁকে ধাওয়া করে। কাছাকাছি এসে অদ্ভুত আচরণ করতে শুরু করে আরোহীরা। তরুণী প্রতিবাদ করলে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। সিয়াকে ধাক্কা মেরে গাড়ি নিয়ে চম্পট দেয়। বাইক থেকে ছিটকে পড়েন সিয়া। তাঁর বাইক বেশ কয়েক মিটার হিঁচড়ে নিয়ে যায় গাড়িটি।
তরুণীর অভিযোগ, গাড়ির চালক ও আরোহীরা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। কিছুটা দূরে গাড়ি থামানো হলেও দায় অস্বীকার করে পালিয়ে যান চালক। পুরো ঘটনাটি বাইকে লাগানো ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ভিডিয়ো শেয়ার করে তরুণীর বক্তব্য, গুরুগ্রামের রাস্তায় নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি। এরপরই আইনশৃঙ্খলার বেহাল দশা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুলিশ-প্রশানের ভূমিকাও। ইতিমধ্যে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত গাড়ি চালক কল্যাণ বাইনসলার খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।
অভিযুক্ত চালকের পরিচয় সামনে আসার পরই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কল্যাণ ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে নিজেকে আন্তর্জাতিক কবাডি খেলোয়াড় ও ভারতীয় রাগবি দলের সদস্য হিসাবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে দুর্ঘটনায় যুক্ত গাড়িটির মালিক হরিয়ানার পালওয়ালের বাসিন্দা মণীশ। এনিয়ে মণীশ বলেন, ‘আমি ভারতীয় সেনায় রয়েছি। বর্তমানে অসমে কর্মরত। দুর্ঘটনায় সময় গাড়িতে ছিলাম না। আমার বন্ধু কল্যাণ গাড়িটি চালাচ্ছিল। ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পরই দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানতে পারি।’
এরইমাঝে বৃহস্পতিবার গুরুগ্রামের ম্যাগনাম গ্লোবাল পার্কে গাড়ি পার্কিং নিয়ে বচসার জেরে গুরুতর জখম হলেন বায়ুসেনা প্রাক্তন গ্রুপ ক্যাপ্টেন অমিত কুমার গুপ্তা। অভিযোগ, পার্কিংয়ের দায়িত্বে থাকা এক কর্মী লোহার রড দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন। এর জেরে মাথা ও কনুইয়ে গুরুতর চোট লাগে। ঘটনায় পুলিশের গড়িমসি ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কার্গিল যুদ্ধের সময় অপারেশন সফেদ সাগরে অংশ নেওয়া ওই প্রাক্তন বায়ুসেনাকর্মী।