Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

যান্ত্রিক ত্রুটিতে থমকাল নামখানা লোকাল, ব্যস্ত সময়ে যাত্রী দুর্ভোগ

যান্ত্রিক ত্রুটিতে থমকাল নামখানা লোকাল, ব্যস্ত সময়ে যাত্রী দুর্ভোগ
  • ৯ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, বারুইপুর: গঙ্গাসাগর মেলা আসন্ন। মাহেন্দ্রক্ষণে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় এড়াতে বহু তীর্থযাত্রী এখন থেকেই সাগরে পাড়ি দিচ্ছেন। নামখানা লোকালে বাড়তি ভিড় হচ্ছে। বুধবার সেই ট্রেন ব্যস্ত অফিস টাইমে বিগড়ে গেল। যার জেরে ২০ মিনিট মাঝপথে দাঁড়িয়ে থাকে ট্রেন। পরে খানিক এগলেও গন্তব্যে পৌঁছতে পারেনি ‘অসুস্থ’ রেকটি।  
Advertisement
এদিন সকাল ৯টা ১৬ মিনিটের আপ শিয়ালদহ নামখানা লোকাল ধপধপি স্টেশনে পৌঁছতেই সেটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। চালক বেশ কিছুক্ষণ ইঞ্জিন ঠিক করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ট্রেনের চাকা গড়ায়নি। ফলে যাত্রীদের স্টেশনে নেমে যেতে বলা হয়। গোটা প্ল্যাটফর্ম তখন থিক থিক করছে কালো মাথার ভিড়ে। বহু শিক্ষক ও অন্যান্য অফিস যাত্রী জয়নগর, দক্ষিণ বারাসত,  লক্ষ্মীকান্তপুর, কাকদ্বীপ সহ বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার জন্য ওই ট্রেনে উঠেছিলেন। কীভাবে কর্মক্ষেত্রে যাবেন, তা নিয়ে চিন্তার শেষ ছিল না ওই যাত্রীদের। প্রায় আধ ঘণ্টা পর বারুইপুর থেকে বিকল্প একটি ট্রেন ওই স্টেশনে পাঠানো হলে যাত্রীরা তাতে উঠে লক্ষ্মীকান্তপুর পর্যন্ত যান। সেখানেই শেষ হয় তার যাত্রা। ফলে কাকদ্বীপ বা নামখানা যাওয়ার জন্য যাঁরা ট্রেনে উঠেছিলেন তাঁরা পড়েন বিপাকে। এদিকে এই ট্রেন নামখানা না যাওয়ার ফলে ডাউনে শিয়ালদহ যাওয়ার জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের।
অন্যদিকে, ওই খারাপ ট্রেনটি পরে সারাই করে সোনারপুর কারশডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই ভোগান্তির জেরে অসন্তোষ প্রকাশ করেন যাত্রীদের একাংশ। তাঁদের বক্তব্য, নামখানা শাখায় এক ঘণ্টা অন্তর ট্রেন আসে। তার মধ্যে যদি মাঝপথে কোনও ট্রেন খারাপ হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে গন্তব্যে পৌঁছতে যথেষ্ট সমস্যা হয়। কেউ কেউ বেশিক্ষণ অপেক্ষা না করে বারুইপুর ফিরে যাওয়ার জন্য স্টেশনের বাইরে থেকে অটো ধরেন। কিন্তু সুযোগ বুঝে বেশি টাকা দাবি করেন চালকরা, এমনই অভিযোগ যাত্রীদের। 
সম্পর্কিত সংবাদ